সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘সামাজিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জের পিছিয়ে পড়া মানুষকে সমাজে অন্তর্ভুক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষরা সঠিক স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে।’
মঙ্গলবার সকালে রাজশাহীর লক্ষীপুর বাকীর মোড়ে ‘ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
জানা গেছে, হৃদরোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য রাজশাহীর নিজস্ব জমিতে প্রথম পর্যায়ে ১০০ বেড বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল, রাজশাহী’ প্রকল্পটি গত ৪ জুলাই ২০১৮ অনুমোদিত হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহায়তায় জুলাই-১৮ থেকে জুন-২১ মেয়াদে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে বাস্তবায়িত হবে। প্রস্তাবিত হাসপাতালটি ৩টি পর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে। প্রথম পর্যায়ে ১০ তলা বিশিষ্ট ৫তলা ভবন নির্মাণ, পরবর্তী পর্যায়ে অপর ৫ তলা নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য হাসপাতালে একটি ক্যাথল্যাব ও একটি কার্ডিয়াক অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হবে।
এছাড়াও থাকবে ৮টি আইসিইউ বেড, ৬টি এইচডিইউ বেড, ১০টি সিসিইউ বেড, ৬টি পিসিসিইউ বেড, ৫৩ টি জেনারেল বেড এবং ১৭টি কেবিন ।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের হাসপাতালটি নির্মিত হলে উত্তরাঞ্চলের ৩০ শতাংশ মানুষ বিনামূল্যে এবং স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবে। হৃদরোগ মোকাবিলায় সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে। এ সরকার সকল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতা, যুক্তিযুদ্ধভাতা চালু করেছে। তাই দেশের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে আবারো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে হবে।’
রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক জুলফিকার হায়দার, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. মু. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. শাহাদাৎ হোসেন রওশন, সহ-সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান, যুগ্ম-সম্পাদক মো. এনামুল হক প্রমুখ।
ইত্তেফাক/বিএএফ
