আকাশে উড়তে কে না চায়। ছোটবেলায় সকল শিশুর ইচ্ছা জাগে আকাশে পাখির মতো ডানা মেলে উড়ে বেড়াবে সে। তারপর আস্তে আস্তে ঐ শিশু বড় হয়ে বুঝতে পারে কখনও তার পাখির মতো ডানা গজাবে না। ডানা মেলে উুঢ়ে বেড়ানোও সম্ভব নয়। শিশুকালের সেই স্বপ্নকে কেউ কেউ ভুলতে পারে না কখনও। হয়ত একদিন সে আকাশে উড়বে এমন স্বপ্ন জাগিয়ে রাখে মনের মধ্যে।
তেমনি এক স্বপ্নবাজ মানষের নাম শামীম। শিশু থেকে কিশোর; কিশোর থেকে যুবক অতঃপর পুর্ণাঙ্গ মানুষ হয়ে আজ শিক্ষকতা করছেন। তবুও তার আকাশে উড়বার দুরন্ত স্বপ্নকে লালন করে যাচ্ছেন!
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার কোলদিয়াড় পূর্বপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম নিজেই আকাশে উড়বার জন্য তৈরি করেছেন হেলিকপ্টার।
শামীম হোসেননের (৫২) বাড়ি উপজেলার চরাঞ্চল মরিচা ইউপির কোলদিয়াড় গ্রামে। তার সঙ্গে কথা বলে জানা য়ায়, তিনি ছোট বেলা থেকে হেলিকপ্টার বানানোর স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু অর্থসহ নানা প্রতিকুলতার কথা ভেবে শুরু করতে পারেন নি। অবশেষে ২০১৬ সাল থেকে তিনি নিজে আকাশে ওড়ার জন্য শুরু করেছেন হেলিকপ্টার তৈরির কাজ।
তিনি জানান, ২০১৬ সাল থেকে দুই বছর সময়ে আংশিকভাবে তৈরি করতে পেরেছি আমার স্বপ্নের হেলিকপ্টার। আমার তৈরি করা হেলিকপ্টারটিতে যে ইঞ্জিন লাগানো আছে সেটার উড্ডয়ন শক্তি মাত্র ৫-৬ ইঞ্চি। হেলিকপ্টারটির জ্বালানী হিসাবে পেট্রোল ব্যবহার করা হয় বলে তিনি জানান। তিনি আরোও বলেন, এটাকে আরোও ওপরে উঠাতে হলে উন্নত মানের ইঞ্জিন দরকার। যার মূল্য প্রায় ৪-৫ লাখ টাকা। যার খরচ তার পক্ষে বহন করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। কিন্তু তিনি এ অসাধ্য সাধনে বসে থাকবেন না এবং হেলিকপ্টারটির পূর্ণতা দেওয়ারর জন্য সরকারী বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করছেন তিনি।
সকল মহল থেকে তার এই স্বপ্ন পূরণে সব ধরণের সহায়তা ও সহযোগীতা পাবেন বলে মনে করেন তিনি।
ইত্তেফাক/নূহু
