‘সামাজিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা দরকার’

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৪০
শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান পড়াশুনার চাপ কমানো জরুরি। এ ছাড়াও সামাজিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা দরকার’।
 
সোমবার ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ‘মনোযত্ন কেন্দ্র’র উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন। 
 
তারা বলেন, কমিউনিটি বা সামাজিক মানসিক উন্নয়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে মানসিক নির্যাতন প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনে কোনও সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই এবং কর্মীর মানসিক অধিকার সম্পর্কেও কোনও নির্দেশনা নেই।
 
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সূত্র উল্লেখ করে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র কাউন্সেলর ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সমন্বয়কারী আমির হোসেন বলেন, ‘যাদের বয়স ১৫-২৯ বছর বয়স তাদের মৃত্যুর দ্বিতীয় মুখ্য কারণ হলো আত্মহত্যা। প্রতি ৫ জনে একজন তরুণ মানসিক রোগে ভুগছে, ৮৩% তরুণ মনে করে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য এবং উৎক্ত্যতা তাদের আত্মমর্যাদার ওপর প্রভাব ফেলে।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে ১৬.১% এবং ১৮ বছরের নিচে ১৮% (শিশু ও কিশোর) জনগোষ্ঠী মানসিক রোগে আক্রান্ত। বাংলাদেশে প্রায় ৩৫% মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন।’
 
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক ড. এসএম খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মো. রিজওয়ানুল করিম শামীম, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার এবং সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি এ্যাফেয়ারস-সিএলপিএ- এর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহাবুবুল আলম। 
 
ইত্তেফাক/বিএএফ