জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন আরও বেগবান হবে মনে করে ২০ দলীয় জোট। দীর্ঘদিন রাজপথে থাকা এই বিরোধী জোট ‘নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, সংসদ ভেঙে দেওয়া ও খালেদা জিয়াকে মুক্তিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সব দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। একইসঙ্গে সদ্য গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে স্বাগত জানিয়ে তাদের দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করেছে ২০ দলীয় জোট। গতকাল রাতে জোটের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান একথা জানান।
তিনি বলেন, বৈঠকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে। সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। এর আগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সূত্র জানায়, বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জোটের নেতাদের আশস্ত করেন যে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জোটকে আগে জানানো হবে।
মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠকের পর আবার ২০ দলীয় জোটের বৈঠক হবে। সেখানে আগামীদিনের কর্মসূচি ও নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৈঠকে ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, এনপিপি চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপি'র মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব, ন্যাপ (ভাসানী) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মহসচিব নুর হোসেন কাসেমী, মুফতি ওয়াক্কাস, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমেদ, বাংলাদেশ লেবারপার্টির হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরী, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ, বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/নূহু
