‘বাচ্চুর অ্যালবাম দিতে দেরি হলে রেগে যেতেন শ্রোতারা’

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:২৯
আইয়ুব বাচ্চু কতটুকু জনপ্রিয় ছিল তা তার অ্যালবামের চাহিদা থেকেই বুঝা যায়। তার বেশির ভাগ অ্যালবাম ব্যবসার দিক থেকে ছিল সফল। নব্বইয়ের দশকে এই সঙ্গীত শিল্পীর হিট অ্যালবামের প্রভাব পরে বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতেও। 
 
মিউজিক কোম্পানি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনস অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক এস. কে. শাহেদ আলী জানান, ঈদের সময় বা কোন অনুষ্ঠানে কাস্টমার অপেক্ষা করে থাকতো কখন বাচ্চুর অ্যালবাম রিলিজ হবে। এসময় প্রচুর ফোন আসতো শ্রোতাদের কাছ থেকে। কোন এলাকায় অ্যালবাম দিতে দেরি হলে তারা রাগ, অভিমান করতো।
 
তিনি আরো বলেন, যখন উনার (আইয়ুব বাচ্চু) অ্যালবাম রিলিজ হত, তখন একটা আনন্দ-মুখর পরিবেশ তৈরি হতো।
 
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতকে মাতিয়ে রেখেছিলেন এলআরবির এই কাণ্ডারি। সঙ্গীতকে আরো উচ্চ আসনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ করেই চলে যান না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
 
১৯৯১ সালে আইয়ুব বাচ্চু গঠন করেন এলআরবি। তার একক অ্যালবাম রয়েছে ১৬টি। আর ব্যান্ড অ্যালবাম করছেন ১২টি। 
 
১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। গানের জগতে আসেন ব্যান্ড ফিলিংসের মাধ্যমে। এর আগে বন্ধুদের সঙ্গে ছোটখাট অনুষ্ঠান করতেন।খবর: বিবিসি
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ