আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে অসাংবিধানিক কোন কিছুই অাদায় করা যাবে না।
সোমবার (০৫ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির তৃতীয় তলার স্বাধীনতা হলে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত 'জেল হত্যা দিবস' উপলক্ষে অালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সমস্ত সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সরকার শুধু রুটিন কাজ করে বাংলাদেশেও তাই হবে। সংবিধানের বাইরে কোন সমাধান বা দাবি অাদায়ের জন্য সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে কোন লাভ হবে না। সুতরাং সংলাপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেই সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন, গরম ও উস্কানিমূলক বক্তৃতা দিয়ে সেই পরিবেশ নষ্ট করবেন না এবং করলে তার দায় দায়িত্ব আপনাদের উপরই বর্তাবে।
ঐক্যফ্রন্টের নেতারা আলোচনা ভেঙ্গে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন দাবি করে সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থেই সংলাপে সাড়া দিয়েছেন। যারা বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যা করেছে, যারা আমাদের নেত্রীকে বারবার হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ৭টি দাবিও দিয়েছিলেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। প্রধানমন্ত্রী কয়েকটা দাবি পূরণও আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখতে পেলাম তাদের কয়েকজন নেতা একদিকে আলোচনা করছেন, অন্যদিকে গরম বক্তৃতা এবং আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছেন। অর্থাৎ আলোচনাকে ভেঙ্গে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, সর্তক দৃষ্টি রাখতে হবে এবং ২০১৩, ১৪, ১৫ সালের মতো আন্দোলনের নামে যদি দেশে কেউ অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায় জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের মোকাবেলা করে দমন করতে হবে।
শাহাবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম অাতিকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. শামসুল হক টুকু এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ অাওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে অালম মুরাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমুখ।
ইত্তেফাক/আরকেজি
