হোমনা উপজেলা শহরের প্রধান সড়কে দিনের প্রায় সময়ই যানজট লেগে থাকে। এতে বাজারে আসা মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারের প্রধান সড়কটি প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটা সরু। এ সড়ক দিয়ে বড় বড় ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ অন্যান্য যানবাহন বাজারে প্রবেশ করে। এতে সড়কের হোমনা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে শিল্পকলার মোড় পর্যন্ত প্রায় সব সময়ই যানজট লেগে থাকে। এছাড়া ফুটপাতগুলো দখল হয়ে যাওয়ায় ক্রেতা ও পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে।
বাজারের ব্যবসায়ী অসিত লাল পোদ্দার জানান, হোমনা বাজারে রিকশা, অটোরিকশা ও ইজিবাইকের চাপ বেশি। এগুলো পার্কিং করার কোনো নির্দিষ্ট স্থান নেই। যেখানে সেখানে এসব যানবাহন পার্কিং করায় যানজট দেখা দিচ্ছে।
হোমনা সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী লিমা আক্তার জানান, আমার বাসা থেকে কলেজে যেতে সর্বোচ্চ আধাঘণ্টা সময় লাগে। কিন্তু বাজারে যানজটের কারণে কলেজে যেতে এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। আমার মতো অনেক শিক্ষার্থীই যানজটে পড়ে সময়মত কলেজে যেতে পারে না।
হোমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কায়েস আকন্দ জানান, আমাদের থানায় ট্রাফিক পুলিশ নেই। আমরা সীমিত জনবল দিয়ে উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম চালাচ্ছি। থানায় ৩৮ জন কনস্টেবল থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ২২ জন।
এ বিষয়ে বাজার কমিটির সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন সুবল জানান, বাজারে যানজট নিত্যদিনের ঘটনা। যানজট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
হোমনা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম জানান, ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে বাজারের প্রধান সড়কটি পাকা করা হয়েছে। শিগগিরই বাজারের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটা আর শিল্পকলা মোড়ে একটা গেট নির্মাণ করা হবে। যাতে বাজারে দিনের বেলায় কোনো বড় যানবাহন প্রবেশ করতে না পারে। এছাড়া ফুটপাতগুলোও দখলমুক্ত করে জনগণের চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমন দে জানান, বাজারের যানজট নিরসনের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটি আধুনিক নগরী গঠনের লক্ষে যানজট নিরসন করা হবে।

স্বামী-শ্বশুরবাড়ির স্বীকৃতি না পেলে আত্মহত্যার হুমকি চিকিৎসক গৃহবধূর