আসল চেহারায় ফিরেছে মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:১০

সংস্কারে আসল চেহারায় ফিরেছে মুত্তাগাছা জমিদারবাড়ি। মুক্তাগাছা জমিদার বাড়িটির প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব রয়েছে অনেক। সরকার পর্যটনের অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৪ সালের শুরুতে জমিদারবাড়ি সংস্কারের কার্যক্রম হাতে নেয়। সংস্কারের ফলে ফিরেছে বাড়িটির আগের চেহারা। 

মুক্তাগাছার জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বগুড়ার অধিবাসী শ্রীকৃষ্ণ আচার্য্য চৌধুরী। ১৭২৭ সালে নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর অনুগ্রহে ১৭৬০ সালে জমিদারি বন্দোবস্ত পান। এরপর স্থায়ীভাবে তার ছেলে রামরাম, হরেরাম, বিষ্ণুরাম ও শিবরাম বসবাস শুরু করেন। তৎকালীন বিনোদবাড়ী (বর্তমান মুক্তাগাছা) মুক্তারামের নামের সঙ্গে প্রদত্ত গাছা সঙ্গতি রেখে এ এলাকার নাম দেওয়া হয় মুক্তাগাছা। 

মুক্তাগাছার জমিদাররা মুক্তাগাছা এবং ময়মনসিংহেও অনেক প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর করেছেন তাও প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন। যা দৃষ্টিনন্দন কারুকার্য খচিত। ময়মনসিংহ জাদুঘরেও অনেক কিছু সংরক্ষিত আছে। মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি দেখতে আসা দেশি বিদেশি পর্যটকরা জানান, বর্তমান সরকার পর্যটনের অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৪ সালের শুরুতে জমিদারবাড়ি সংস্কারের কার্যক্রম হাতে নেয়। সংস্কারের ফলে ফিরেছে বাড়িটির আসল চেহারা। 

সুনিপূণভাবে বাড়িটি আগের চেহারা ফিরিয়ে আনতে আরো চেষ্টা চলছে বলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী মুক্তাগাছার এমপি কে এম খালিদের প্রচেষ্টায় সংস্কার ও ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে জমিদারবাড়ির। মুক্তাগাছার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মনসুর বলেন, সংস্কারের পর মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি আগের আসল চেহারায় ফিরেছে। এখানে টিকিট সিস্টেম করার চিন্তাভাবনা আছে। তবে জমিদারবাড়িসহ স্হাপনাগুলো সংরক্ষণে অনেক কাজ করতে হবে।

ইত্তেফাক/ আরাফাত