‘প্রধানমন্ত্রীর সহানুভূতিতেই জেলের বাইরে আছেন খালেদা জিয়া’

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৩:৫০

বিএনপিকে মনে রাখতে হবে, খালেদা জিয়া মামলায় খালাস পাননি, জামিনও পাননি, সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহানুভূতির কারণে জেলের বাইরে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। তিনি বলেন, এই মহানুভবতার জন্য বিএনপিরতো প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। উন্নয়ন অগ্রগতির কারণেই আবারও আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল নজীর স্থাপন করবেন।

শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ও নওপাড়া ইউনিয়নের নদীভাঙন কবলিত ৪০৩ টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত পুনর্বাসন সহায়তার নগদ ৪৩ লাখ টাকা বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী বলেন, বিএনপির জন্মই হয়েছে হত্যা এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। জিয়াউর রহমান দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নষ্ট করেছিলো। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। আর ক্ষমতায় যেতে না পেরে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছে। তারা প্রতিনিয়তই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ, বিএনপি তখন রীতিমতো টাকা খরচ করে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে দেশরিবোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বিএনপি মূলত এদেশকে মনেপ্রাণে এখনও ধারণ করতে পারে নাই, তাদের ধ্যান-জ্ঞান হলো পাকিস্তান। আর আওয়ামীলীগের জন্মই হয়েছে জনকল্যাণের জন্য। 

এনামুল হক শামীম আরও বলেন, আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছে বলেই এই দুর্গম চরাঞ্চলে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ এসেছে, এলাকা আলোকিত হয়েছে। এ এলাকায় এখন আর নদীভাঙন নেই। এ অঞ্চলের মানুষ সবদিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রাশেদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নড়িয়া পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন, চরআত্রা ইউপি চেয়ারম্যান এনায়েত উল্লাহ মুন্সী, নওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাকির হোসেন মুন্সী, সাবেক চেয়ারম্যান রাশেদ আজগর সোহেল মুন্সী, উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আহাদী হোসেন প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এমএএম