অবৈধ কমিটির মিটিংয়ে যাবো না: জায়েদ খান

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৫৯

আপিল বিভাগের চেয়ারম্যান পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান আজ শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের নিয়ে মিটিং ডেকেছেন। সেখানে আপিল বিভাগের দুই সদস্য, নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যসহ অভিযোগকারী নিপুণ, অভিযুক্ত জায়েদ খান ও চুন্নুর উপস্থিত থাকার কথা। এ ব্যাপারে আপিল বিভাগ থেকে সবাইকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। 

কিন্তু এক দিন আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় জায়েদ খান জানান, তিনি ও চুন্নু কেউই উপস্থিত হবেন না মিটিংয়ে। তার দাবি, কোনো অবৈধ কমিটির সিদ্ধান্তের কাছে তিনি যাবেন না। জায়েদ খান বলেন, ‘আমি কেন অবৈধ কমিটির কাছে যাবো। কেন? আর গেলেইবা কী। মিটিং-এ যে রায় হবে, তাতে আমার কিছুই যায়-আসে না। কারণ তারা অবৈধ কমিটি। তাদের চ্যালেঞ্জ করতে হলে আদালতে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, আপিল বিভাগ হাস্যকর কর্মকাণ্ড করছে। তারা বলেছে, ২৯ তারিখে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে। আমরা সেই চিঠি বের করে দেখেছি, সেটা ১ ফেব্রুয়ারিতে পাঠান। ২৯ জানুয়ারি আপিল বিভাগের কার্যকারিতা শেষ। ১ ফেব্রুয়ারি তারা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাতে পারে না। মন্ত্রণালয়ের কাছেও ওই চিঠি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

আইনি নোটিশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, আপিল বিভাগের কার্যকারিতা সম্পর্কে হয়তো জানে না মন্ত্রণালয়। এ কারণেই এসব ভুল কার্যক্রম বন্ধ করতে মন্ত্রণালয়সহ আপিল বিভাগের পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি। এই কার্যক্রম থামানোর অনুরোধ করছি। যদি তা না করে ৫ ফেব্রুয়ারি মিটিং করে, তাহলে এই অবৈধ কার্যক্রমের কারণে সবার নামে মামলা করব।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আগামী দুই বছরের জন্য সভাপতি হিসেবে ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জায়েদ খান নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২২-২৪ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক এই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের কাছে মাত্র ১৩ ভোটে হেরেছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার। তবে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের পদটি বাতিল হতে পারে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় হয়ে গত বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের কাছে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক চিঠি আসে। তবে এ চিঠি মানতে নারাজ জায়েদ খান।

দিক নির্দেশনা চেয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আসা চিঠি নিয়ে শনিবার জায়েদ খান ও নিপুণকে নিয়ে মিটিং করার কথা আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহানের।

ইত্তেফাক/কেকে