পারিবারিক সহিংসতায় অভিযুক্ত পেরুর প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৩:৩২

পেরুর প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্টিলো দেশটির প্রধানমন্ত্রী হেক্টর ভলার পিন্টোকে বরখাস্ত করেছেন। ২০১৬ সালে তিনি পারিবারিক সহিংসতায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন একথা প্রকাশ পাওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার প্রেক্ষাপটে নিয়োগ দেয়ার মাত্র তিন দিন পর তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

পেদ্রো কাস্টিলো বলেন, ‘আমি মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ এর অর্থ প্রধানমন্ত্রী হেক্টর ভলার পিন্টো বাদ।

বামপন্থী কাস্টিলো টেলিভিশনে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে এ পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। তবে ওই ভাষণে তিনি ভলার পিন্টোর নাম উল্লেখ করেননি তিনি। বিরোধী দল এবং এমন কি কয়েকজন কেবিনেট মন্ত্রী সরকারে ভলার পিন্টোকে রাখার ব্যাপারে হাত উপরে উঠান।

প্রেসিডেন্ট নতুন মন্ত্রিপরিষদের নাম ঘোষণা করার কথা বলায়, ছয়মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে তার চতুর্থ মন্ত্রিপরিষদ গঠন।

পেরুর প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্টিলো

২০১৬ সালে তার স্ত্রী ও ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ের পারিবারিক সহিংসতার কথা তাকে জানান। বিষয়টি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ায় ৬২ বছর বয়সী ভলার পিন্টো বৃহস্পতিবার প্রথম চাপের মুখে পড়েন।

প্রেসিডেন্ট তাকে বরখাস্ত করার আগে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কংগ্রেস স্পিকার প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানান।

এসময় তিন মন্ত্রি তাকে চ্যালেঞ্জও করেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেজার লন্ডা টুইটার বার্তায় লিখেছেন, ‘পাবলিক সার্ভিস কর্মকর্তারা এ ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্ত।’

ভলার পিন্টো সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর প্রত্যাখান করে বলেন, তিনি ‘অপব্যবহার’ করেননি। তিনি আর ও বলেন, পারিবারিক সহিংসতায় তিনি কখনো অপরাধী ছিলেন না।

তিনি জোরদিয়ে বলেন, অনাস্থা পদক্ষেপ কংগ্রেসে পাস না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার পদে থাকবেন।

ইত্তেফাক/টিআর