জায়েদ, চুন্নু ছাড়াই চলছে তাদের ভাগ্য নির্ধারণী বৈঠক!

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮:৪৭

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন শেষ হলেও কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি এখনো বন্ধ হয়নি। শুরু থেকেই একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন প্রার্থীরা। সর্বশেষ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সদ্য নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপিসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনেন একই পদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুন আক্তার। তার অভিযোগের ভিত্তিতে জায়েদ খানের প্রার্থীতা থাকবে কি-না এ নিয়ে এফডিসিতে শুরু হয়েছে আপিল বোর্ডে বৈঠক। তবে সেখানে উপস্থিত হননি চিত্রনায়ক জায়েদ খান ও অভিনেতা চুন্নু। তাদের ছাড়াই আজ ৫টার দিকে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকটি শুরু হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠকটি চলছে।

বৈঠক শুরুর আগে এফডিসিতে অপেক্ষমান গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হয়, নিপুণের সাথে আলোচনা শেষ করে তাকে বিদায় করে দিয়ে আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান ও সদস্য মোহাম্মদ হোসেন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে চূড়ান্ত ফলাফল জানাবেন।


উল্লেখ্য, সদ্য অনুষ্ঠিত শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ‘ভোট কেনার’ অভিযোগ আনা হয় নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও বেশকিছু অভিযোগে এই পদ বাতিলের আবেদন করেন পরাজিত প্রার্থী নিপুণ আক্তার। এই পদে পুনরায় নির্বাচনও দাবি করেন এই অভিনেত্রী।


নিপুণের আবেদনের প্রেক্ষিতে জায়েদ খানের পদ বাতিল হবে নাকি তিনিই দায়িত্বে থাকবেন সেই বিষয়ে শনিবার (আজ) বিকেলে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত জানাতে এফডিসিতে অবস্থান নেয় শিল্পী সমিতির আপিল বোর্ড। যেখানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল অভিযোগকারী নিপুণ, অভিযুক্ত জায়েদ খান, চুন্নু, সমিতির নতুন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন ও দুই নির্বাচন কমিশনারকে। তবে অভিযোগকারী নিপুণকে আপিল বোর্ডের সভায় উপস্থিত থাকতে দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি জায়েদ খান কিংবা চুন্নুকে।


নিপুণকে নিয়ে বৈঠক শুরুর আগে সোহান বলেন, ‘আমরা দু-পক্ষকে নিয়ে শিল্পী সমিতির অফিসে বসতে চেয়েছিলাম, কিন্তু অফিসটি তালাবদ্ধ। কাউকে পাওয়া যায়নি।’

ইত্তেফাক/ইউবি