ঋতুপর্ণার স্মৃতিতে লতা মঙ্গেশকর

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২১:১৩

মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে রবিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর। ৯২ বছর বয়স হয়েছিল মৃত্যুর সময়। করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কোকিলকণ্ঠীর মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করলেন টলিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া গান ছবিতে তার ঠোঁটে থাকবে, এ স্বপ্ন ছিল দেশের প্রতিটি অভিনেত্রীরই। সেই তালিকায় ছিলেন স্বয়ং ঋতুও। ‘লতাজি’র গানে ঠোঁট মেলাতে পেরে তিনি যে যে কতটা ভাগ্যবান, সে কথাও এদিন অকপটে জানালেন ঋতু।

ছবির নাম ‘আমার ভালোলাগা, আমার ভালোবাসা’। ঋতুপর্ণা-ফেরদৌস অভিনীত এই ছবিতে গান গেয়েছিলেন লতা। ছবির দৃশ্যে দেখা গিয়েছে, মঞ্চে মাইক হাতে গান গাইছেন ঋতু। লত মঙ্গেশকরের প্রয়াণে পুরনো দিনের স্মৃতিচারণা করলেন ঋতুপর্ণা।

‘আমার ভালোলাগা, আমার ভালোবাসা’ ‘আমার ভালোলাগা, আমার ভালোবাসা’ সিনেমার গানে ফেরদৌস-ঋতুপর্না। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আমার নিজের কাছে তা ছিল বিরাট পাওয়া। বহুবছর আগে দেখেছিলাম তাকে। তার থেকে আশীর্বাদ নিয়েছিলাম।’

ঋতুপর্ণার কথায়, ‘লতাজি আমাদের গর্ব। আমার ছোটবেলা থেকে বড় হয়ে ওঠার সময়টুকুতে জুড়ে রয়েছেন উনি। তার গান আজও স্বপ্নের মতো লাগে। লতাজি মানেই বিস্ময়। ছোটবেলায় লতাজির গানই ছিল আমাদের কাছে স্বপ্নের জগতে হারিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি। কত নায়িকার কেরিয়ার যে তৈরি করে দিয়েছে তার গান, তা ভাবলেই অবাক হতে হয়। তার চলে যাওয়াটা আক্ষরিক অর্থেই নক্ষত্র পতন। বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি হল। লতাজি শুধু আমাদের জীবন এবং দেশেরই নয়, আমাদের সাংস্কৃতিক সভ্যতারও এক অন্যতম পরিচয়। লতা মঙ্গেশকর এমন একটি স্তম্ভের নাম, যাঁর সামনে নিজে থেকেই সম্মান ও শ্রদ্ধায় আমাদের মাথা নত হয়ে আসে।’

ঋতুপর্ণা আরও বলেন, ‘গোটা এক গানের জীবন দিয়ে গিয়েছেন তিনি আমাদের। সেটাই আমাদের এবং আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলেই আমার বিশ্বাস। উনি যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক। তার পরিবারের প্রতি রইল আমার সমবেদনা।’

ইত্তেফাক/বিএএফ