এবছর বিদেশে ৯ লক্ষাধিক কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:১৩

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, চলতি অর্থবছরে বিদেশে ৯ লাখের বেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। গত সোমবার নিজ দপ্তরে জার্নালিস্টস ফোরাম অন মাইগ্রেশনের (জেএফএম) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, করোনা মহামারি পরবর্তী শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি এবং মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৬ লাখ ১৭ হাজার ২০৯ নারী-পুরুষ কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন দেশে ১ লাখ ৯ হাজার ১৪৮ কর্মী চাকরি পেয়েছেন।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি সিন্ডিকেটের পক্ষে নই, বিপক্ষেও নই। আমি চাই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হোক এবং আমার দেশের গরিব মানুষগুলো বাঁচুক। অর্থাৎ কম টাকায় দেশটিতে কর্মী যাক।’

প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, চীন ও জাপানেও বাংলাদেশি কর্মীর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিশ্বে অদক্ষ কর্মীর চাহিদা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। অভিবাসী কর্মীর স্বার্থেই আমরা দক্ষ কর্মী তৈরির ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সহায়তায় সরকারি টিটিসিগুলো আধুনিকায়ন করার চিন্তাভাবনা চলছে।’

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশটিতে ওয়ার্ক ভিসা চালু না হলেও ভিজিট ভিসায় গিয়ে বাংলাদেশি কর্মীরা ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে চাকরি করার সুযোগ পাচ্ছেন। সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থান হচ্ছে।

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগসম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশটিতে পুনরায় কর্মী যাওয়া শুরু হলে স্বচ্ছতার বিষয়ে নজর রাখা হবে। বিদেশে গমনেচ্ছু গরিব কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাবিনেটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশগামী কর্মীদের প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

জেএফএমের সভাপতি মনির হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রবিউল হক, কার্যকরী সদস্য মো. শামসুল ইসলাম, রেজা মাহমুদ ও আবদুল্লাহ মো. কাফি উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মন্ত্রীর পিএস কবির আহমদ, এপিএস মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামানও উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/এমআর

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন