মুরাদের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম আদালতে মামলার আবেদন

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৯:০১

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপির বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল আদালতে একটি মামলার আবদেন করেছেন অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদ। তবে কুড়িগ্রাম সদর আমলী আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ ব্যাপারে কোন আদেশ না দিয়ে পেন্ডিং রেখেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ফেব্রুয়ারি) জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুড়িগ্রাম জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদ বাদী হয়ে সদর আমলি আদালতে এই পিটিশন দাখিল করেন। আবেদনে ডা. মুরাদ ছাড়াও মহির উদ্দিন হেলাল নাহিদ ওরফে নাহিদ হেলাল নামে আরও একজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। 

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট তারিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ ও সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর আমলি আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. মিজানুর রহমান বাদীর আবেদনটি পেন্ডিং রেখেছেন। এ ব্যাপারে পরবর্তীতে আদেশ প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন। 

মামলার আবেদন সূত্রে জানা গেছে, ডা. মুরাদ হাসান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন সময় গত ১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে অপর অভিযুক্ত মহির উদ্দিন হেলাল নাহিদকে একটি সাক্ষাৎকার প্রদান করেন যা পরবর্তীতে মুরাদ হাসান তার নিজস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশ ও প্রচার করেন। প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে ডা. মুরাদ হাসান উদ্দেশ্যমূলকভাবে জিয়া পরিবার ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমান সম্পর্কে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ নারী বিদ্বেষী এবং যেকোনো নারীর জন্য মর্যাদাহানিকর ভাষা ব্যবহার করেন। এ ধরনের মিথ্যা তথ্য প্রকাশ এবং প্রচার করে আসামিরা দেশে রাজনৈতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টির মাধ্যমে ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ১৫৩-ক/ ৫০৫-ক/৫০৯ ধারায় অপরাধ করেছেন।

কুড়িগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন জানান, এটি পেন্ডিং রয়েছে। পরবর্তীতে বিচারকের আদেশ পেলে মামলাটি গৃহীত হল কি না জানা যাবে।

নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য দিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হন মুরাদ হাসান। আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/এমএএম