‘শিল্পী সমিতির নির্বাচন বা চেয়ারটা দেশের মেয়র, কমিশনারের চেয়ারের মতো হয়ে গেছে। শিল্পীদের তো শিল্পমনা হতে হবে। শিল্পীদের পাশে চেয়ারে বসেও থাকা যায়, না বসেও থাকা যায়।
এটা নিয়ে এত কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি! ভালো লাগে না!’—চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কথাগুলো বলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য সুচরিতা। এবারের নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সময়েও একটি পদ নিয়ে জলঘোলা চলছেই। এমনকি বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আজ আদালত এ নিয়ে শুনানি করবেন।
সিনিয়র একজন শিল্পীর সভাপতি হওয়া এবং তার ভূমিকা নিয়ে সুচরিতা আরও বলেন, ‘বুঝি না কাঞ্চনের মতো এত সিনিয়র একজন মানুষ সভাপতির চেয়ারে বসে কী করছেন। কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ বা মন্তব্য কেন করছেন না।’ এদিকে কাঞ্চন-নিপুন প্যানেলের সবাই শপথগ্রহণ করলেও মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে নির্বাচিত কেউ শপথ নেননি।
এছাড়া এই প্যানেল থেকে নির্বাচিত চিত্রনায়িকা রোজিনা এরইমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি ব্যক্তিগত ব্যস্ততাকে সামনে এনেছেন। পাশাপাশি চিত্রনায়ক রুবেলও ঘোষণা দিয়েছেন দু-একদিনের মাঝে পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন।
তাহলে কী মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে নির্বাচিত সবাই পদত্যাগের পথে হাঁটছেন?—এমন প্রশ্নে সুচরিতা বলেন, ‘দেখুন, জানি না তারা কেন পদত্যাগ করছেন। আমি কোনো নিউজ দেখছি না। তাছাড়া আমার সঙ্গে এখনো কারো সেভাবে কথা বা যোগাযোগ হয়নি। আমি আগে আদালতের রায় কী হয় সেটা দেখবো। তারপর আমি যে প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছি তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’
নির্বাচনের বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ানো নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কী আর বলবো এ নিয়ে! ইন্ডাস্ট্রি ছবি না থাকলে যা হয় আর কী। ওই যে, ডিপজল ভাই একটা কথা বলেছেন না যে, নাই কাম, নাই কাজ, কী করি খই ভাজ!

অভিনয়ের জন্য পুলিশের চাকরি ছেড়ে অবসরে ডি এ তায়েব