কিংসের নতুন শুরু

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:২০

ইউরোপিয়ান ফুটবলে বড় থেকে ছোট প্রায় সব ক্লাবেরই হোম ভেন্যু। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এত দিন তা ছিল স্বপ্ন দেখার মতো। ছিল এই জন্য যে, দেশের ফুটবলের প্রথম ক্লাব হিসেবে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বসুন্ধরা কিংস।

নিজস্ব হোম ভেন্যু বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনায় খেলতে নেমে আজ এক নতুন শুরু করবে তারা। কিংসের শুরুর ইতিহাসে সাক্ষী হবে বাংলাদেশ পুলিশ। প্রিমিয়ার লিগের এই ম্যাচ মাঠে গড়াবে বেলা ৩টায়।

একটি হোম ভেন্যুতে যা যা থাকা দরকার, তার সবই থাকছে কিংস অ্যারিনায়। যদিও এখনো পুরোপুরিভাবে দাঁড়িয়ে ওঠেনি। অনেক কাজ প্রক্রিয়াধীন। তবে মাঠটি খেলার উপযুক্ত। খুব শিগ্গির বসবে ফ্লাডলাইট, দর্শকদের জন্য দর্শনীয় গ্যালারি, সবকিছুই গড়া হচ্ছে ইউরোপিয়ান ধাঁচে। অথচ লিগের শুরু থেকেই স্টেডিয়ামটিতে খেলতে চেয়েছিল কিংস। কিন্তু করোনা ও অন্যান্য জটিলতায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বাফুফে। তা বাফুফের ভুল ছিল বলে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জানালেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান, ‘আসলে পেশাদার লিগের প্রথম শর্ত হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ম্যাচ হবে। সুতরাং হোম ম্যাচে হোম টিম সুবিধা পাবে, আমরাও সেটা পাব। শেষ পর্যন্ত বাফুফে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের শুরুতে যে ভুলটুকু ছিল, তা শুধরে নিয়েছে। আপাতত ৭ হাজার, সব মিলিয়ে ১৪ হাজার আসন রাখা হয়েছে। আসনসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। বাড়াতে হলে বাড়ানো হবে।’

বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের অংশ এই ফুটবল স্টেডিয়ামে। ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ৩০০ বিঘা জমির এই কমপ্লেক্সে শুধু ফুটবলই নয়, থাকছে ক্রিকেট, হকি, বাস্কেট বল, টেনিস, সুইমিংপুল, ইনডোর, ভলিবল, জিমনেসিয়াম, আর্চারি, শুটিং, ওয়াটার পার্কের ব্যবস্থা। পুরো প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৪ সালের জুনে। এদিকে কিংসের জন্য আক্ষেপ হলো, ফ্লাডলাইট না থাকায় এএফসি কাপের ম্যাচগুলো এখানে খেলতে পারবে না তারা। সে জন্য বেছে নিয়েছে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামকে।

ইত্তেফাক/ আরাফাত