সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

টিভি মিডিয়ায় কাজী রিটনের এগিয়ে চলা

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:৩৫

প্রযোজক, অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক কাজী রিটন। ২০০৮ সালে সাতটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘চন্দ্রগ্রহণ’-এ তিনি অভিনয় করেছেন। অভিনেতা ও সহকারী পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে তিনি প্রযোজক ও লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। রিটন চলচ্চিত্র ও নাট্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’-এর সত্ত্বাধিকারী। এছাড়াও বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রোডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।

২০০০ সাল থেকে তিনি ফিল্ম ও টিভি মিডিয়ায় নিয়মিত কাজ শুরু করেন। কাজ করেছেন বেশকিছু ধারাবাহিক ও টিভি নাটকে। এছাড়া মডেল হিসেবেও কাজ করেছেন বেশকিছু বিজ্ঞাপনচিত্রে। ২০০৮ সালে ‘ফাইভ ডট কম’-এর একজন পার্টনার হয়ে মিডিয়া জগতে প্রযোজক হিসেবে যাত্রা শুরু তার। সেখানে তার অন্য পার্টনার ছিলেন বিজরী বরকতউল্লাহ, শ্রাবন্তী, পার্থ বড়ুয়া। এই প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য প্রযোজনা ধারাবাহিক নাটক ‘দ্বিতীয় জীবন’। যা টিভি মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচিত হয়।

এরপর কাজী রিটন বেশকিছু জনপ্রিয় নাটক প্রযোজনা করেন। যেমন, ‘নায়িকার নামে নাম’ (বিটিভি), ‘এবং বিয়ে’ (ইটিভি), ‘ময়ূর বাহন’ (চ্যানেল ওয়ান), ‘খোয়াব’ (এটিএন বাংলা), ‘সোসাইটি’ (চ্যানেল ওয়ান), ‘ভালোবাসা মন্দবাসা’ (এনটিভি)। ২০০৬ সালে তিনি সহযোগী প্রযোজক হিসেবে চিত্রনায়ক রিয়াজের সাথে যৌথভাবে ‘হৃদয়ের কথা’ চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন। যা ব্যবসায়িকভাবে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে। এছাড়া কাজী রিটন আরও কিছু জনপ্রিয় নাটক প্রযোজনা করেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ধারাবাহিক ‘বিবর্ণ ভালোবাসা’ (এনটিভি), ‘কাছে দূরে’ (বাংলা ভিশন), ‘নীড়ে নির্বাসন’ (বিটিভি) এবং এক ঘণ্টার নাটক ‘অত্রি’ (দেশ টিভি), ‘প্রত্যাগত’ (বিটিভি), ‘শুভ’ (আরটিভি)।

কাজী রিটন তার নিজের প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’-এর ব্যানারে অনেক ধারাবাহিক, একক ও টেলিছবি প্রযোজনা করেছেন। কাজী রিটন লেখক হিসাবে ‘আপা’ ও ‘সৎ মা’ এবং লেখক ও পরিচালক হিসেবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্বিধা’ এবং ‘অন্তরীক্ষ’ নির্মাণ করেন ২০০৯ সালে। বলা যায়, একটানা ২০ বছর কাজী রিটন বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের প্রায় সব বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সাথে সুনামের সাথে কাজ করছেন।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন অনেক সম্মাননা। সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে টিএম রেকর্ডস-সিজেএফবি পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০ অর্জন করেন। এছাড়া বিএমকেসি স্টার অ্যাওয়ার্ড-২০২১, বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড-২০১৯, ২০২১ ও নাটোমেলা পুরস্কার-২০১৯ লাভ করেন। এসবের পাশাপাশি তিনি ‘কাজী ফাউন্ডেশন’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিশু অধিকার ও শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছেন তিনি।

ইত্তেফাক/ ইআ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন