সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণ ও ৬ টুকরো করে লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত তিন আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জগন্নাথপুরের আসামি জিতেশ চন্দ্র, অনজিৎ গোপ ও অসিত গোপের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টের ব্যারিস্টার মির্জা আব্দুল মতিন মার্কেটের তালাবদ্ধ অভি মেডিক্যাল হল থেকে নিহতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের ভাই হেলালউদ্দিন বাদি হয়ে একইদিন জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তিন আসামিকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড প্রার্থনা করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক লিটন দেওয়ান। রিমান্ড শুনানি শেষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রত্যেক আসামির ৮ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
তিন আসামির রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের সুনামগঞ্জ আদালত পরিদর্শক মো. বদরুল আলম তালুকদার বলেন, রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর তিন আসামিকে সিআইডি তাদের হেফাজতে নিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাতে জগন্নাথপুরের সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে (৩৫) কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর গভীর রাতে ফার্মেসির ভেতর এনার্জি ড্রিংকস খেয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ করার কথা বলায় শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ৬ টুকরা করা হয়। পরে লাশ গুমেরও পরিকল্পনা করে ধর্ষকরা। রাজধানী ও সুনামগঞ্জে অভিযান চালিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার হত্যার মূল তিন আসামিকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য জানতে পারে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
