পূর্ব ইউক্রেনে রুশপন্থী বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত বিচ্ছিন্ন দুই অঞ্চলকে স্বীকৃতি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ নিয়ে এক আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি। এর পরপরই পূর্ব ইউক্রেনের ওই দুই অঞ্চলে রাশিয়ার সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
এই ঘোষণার পর পশ্চিমা বিশ্বে উত্তেজনা নতুন মাত্রা ধারণ করেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ডাকা হয়েছে জরুরী বৈঠক। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস জানান, ফোনালাপে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন ব্লিঙ্কেন।
আল জাজিরা জানায়, ফোনালাপে দুইজনের মধ্যে আর কোন বিষয়ে কথা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
এদিকে, পূর্ব ইউক্রেনের দোনেতস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর সেখানে রুশ সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন ভ্লাদিমির পুতিন। মূলত এই দুই অঞ্চলে ‘শান্তি নিশ্চিত’ করতে রুশ সেনাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
দোনেতস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর মস্কো থেকে জারি করা পৃথক দু’টি ডিক্রিতে সেখানে মোতায়েন করতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন পুতিন।
ওই দুই অঞ্চলে ঠিক কী পরিমাণে রুশ সেনা মোতায়েন করা হবে সেটি অবশ্য ওই ডিক্রি বা অন্য কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। তবে মস্কোর সরকারি ডিক্রিতে বলা হয়েছে, পূর্ব ইউক্রেনের সদ্য স্বাধীন এই অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি তৈরির অধিকার রয়েছে রাশিয়ার।
