জাবিতে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে কর্মচারীদের মানববন্ধন

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২১:০৩

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দৈনিক মজুরি ভিত্তিক নিয়োজিত কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনের রাস্তায় এ মানববন্ধন করেন তারা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশতাধিক কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে আবু রাইয়ান নামের এক কর্মচারী বলেন, আমরা বেশ কয়েক বছর যাবত দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছি। প্রথম দিকে আমরা ৩৩০ টাকা বেতন পেতাম, এত বছর পরও আমরা ৩৩০ টাকাই পাচ্ছি। আমরা অমানবিক জীবনযাপন করছি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের চাকরী স্থায়ী ও বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে মৌখিকভাবে বললেও আমরা সেটার কোনও অগ্রগতি দেখছি না। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের বেতন বৃদ্ধি করে এবং চাকরী স্থায়ীকরণের মধ্য দিয়ে আমাদের দাবি মেনে নিবে।

রাজিয়া আক্তার নামে আরেক কর্মচারী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, আমাদের চাকরি দ্রুত স্থায়ী করবে কিন্তু ঐ আশ্বাসের তিন মাস পার হয়ে গেছে এখনও চাকরি স্থায়ী হয়নি। দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে ক্যাম্পাসে প্রায় ১৬০ জন কাজ করে। আমরা সবাই দ্রুত চাকরি স্থায়ী করার দাবি জানাই।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখার নেতা-কর্মীরা সংহতি জানান। ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান নাইম বলেন, বছরের পর বছর ধরে অস্থায়ীভাবে মানুষগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অল্প বেতনে শ্রম দিয়ে আসছে। এখন আবার বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। এই সময়ে বেশি বেতন পাওয়া মানুষেরই সংসার চলছে না। এমন পরিস্থিতে এই মানুষগুলো প্রতিদিনের ভিত্তিতে যে বেতন পায় তা দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি জানাই।

ছাত্র ফ্রন্টের জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক কনোজ কান্তি রায় বলেন, আমরা তাদের দাবির সাথে একমত জানাই। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি মেনে নিয়ে চাকরি স্থায়ী করবে।

ইত্তেফাক/এসটিএম