নারায়ণগঞ্জে অবৈধ যানবাহনের নৈরাজ্য

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৫

শহরে এখন অবৈধ যানবাহনের দাপটে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। বিনা বাধায় শহরের সর্বত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও লেগুনা। বিভিন্ন স্থানে সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্ট্যান্ড। শহরের যত্রতত্র চলছে যাত্রী ওঠানামা। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত যানজট। তবে এসব রোধে প্রশাসন, সিটি করপোরেশনের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই।

দীর্ঘদিন যাবত নারায়ণগঞ্জবাসী যানজটে ভুগলেও করোনা পরিস্থিতির আগে যানজট কিছুটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যত্রতত্র অবৈধ পার্কিং, অবৈধ যান চলাচল, অবৈধ স্ট্যান্ড, দিনের বেলা পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলসহ নানা করণে শহরে যানজট লেগেই থাকছে। সড়কের এই নৈরাজ্য দমনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের জিমখানা মোড়, ডিআইটি, ২ নম্বর রেল গেট চত্বর, গলাচিপা, ১ নম্বর রেলগেট, কালীরবাজার, চাষাঢ়া মোড়ে সোনালী ব্যাংকের সামনে, খাঁজা মার্কেটের পেছনে, শহীদ মিনার এলাকা , সরকারি মহিলা কলেজ , চাষাঢ়া রেল স্টেশন এবং চাষাঢ়া চত্বরের সুগন্ধা বেকারির সামনে দেখা যায় অবৈধ ইজিবাইক ও সিএনজি স্ট্যান্ড। অধিকাংশ যানবাহনের চালক অনভিজ্ঞ। ফলে সড়কে দেখা দিচ্ছে বিশৃঙ্খলা।

অনেকে ক্ষেত্রে ইজিবাইক ও লেগুনায় দেখা যায় কিশোর এমনকি শিশুচালক। এ বিষয়ে জেলা ট্রাফিকের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে আছে। তিনি এ বিষয়ে পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেছেন।

তবে লোকবলের অভাবে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে ট্রাফিক বিভাগে লোকবল মাত্র ১০০ জন। এই স্বল্প লোকবল নিয়েই পুরো জেলায় কাজ করতে হয়। তাই অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপেরেরশনের সাহায্য নেবেন।

ইত্তেফাক/ ইআ