শিক্ষার্থী ভর্তি, পাসপোর্ট, বিয়ে, জমি রেজিস্ট্রিসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব কাজেই এখন জন্মসনদের প্রয়োজন হচ্ছে। অথচ এই জন্মসনদ পেতে ঈশ্বরদীতে মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আবার মৃত্যুসনদ পেতেও ভোগান্তির শেষ নেই। নানা রকম শর্তের বেড়াজালে দিনের পর দিন দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
প্রতিদিনই পৌরসভা ও ইউনিয়নগুলোতে হাজারো মানুষ সনদ নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট না করার কারণে জটিলতা নিরসন হচ্ছে না বলে পৌরসভা ও ইউনিয়নগুলোতে কথা বলে জানা গেছে। মৃত্যুসনদের ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ডিজিটাল জন্মসনদ, স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মায়ের ডিজিটাল জন্মসনদ, ভোটার আইডিসহ যেসব শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃদ্ধ বয়সে মৃতদের ডিজিটাল জন্মনিবন্ধনের ব্যবস্থা সে সময় ছিল না। এ কারণে ঐ মৃত ব্যক্তির মৃত্যুসনদ দেওয়া যাচ্ছে না। শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুদের জন্মসনদের জন্য বাবা-মার আইডিসহ আরো যেসব শর্ত রয়েছে, তাতেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পাকশীর ইউপি সচিব মিজানুর রহমান খোকন জানান, সব শর্ত পূরণ করতে না পারায় প্রতিদিন অনেক মানুষ ফিরে যাচ্ছেন। পৌর মেয়র ইসাহক আলী মালিথা বলেন, জন্ম ও মৃত্যুসনদের শর্তগুলো শিথিল করা অত্যন্ত জরুরি।
