যে কারণে ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স কমেছে

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২২, ২৩:১৪

ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। অর্থাৎ আগের মাসের চেয়ে এ মাসে প্রায় ২১ কোটি ডলার কম রেমিট্যান্স এসেছে । কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালানাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসের মধ্যে রেমিট্যান্স এসেছে জুলাইয়ে ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ডলার, আগস্টে ১৮১ কোটি, সেপ্টেম্বর মাসে ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ, অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৮ লাখ, নভেম্বর ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ, ডিসেম্বরে ১৬২ কোটি ৯০ লাখ, জানুয়ারিতে ১৭০ কোটি ৪৪ লাখ এবং ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার।

ব্যাংকাররা বলছেন, আগে প্রবাসীদের বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর প্রণোদনা ছিল ২ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকা পাঠালে ২ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হতো। চলতি বছরের শুরুতে এ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়েছে। এতে প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহ পেয়েছেন। তখন রেমিট্যান্স বেশি এসেছে। তবে ফের করোনা বেড়ে যাওয়া প্রবাসীদের আয় কমেছে। এ কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ গত মাসে ছিল ধীর গতির। 

তারা আরও বলেন, গত অর্থবছর সারাবিশ্বে করোনা মহামারির মধ্যে অনেক প্রবাসী কেউ চাকরি হারিয়ে কিংবা ব্যবসা বন্ধ করে সব অর্থ পাঠিয়ে দিয়ে দেশে চলে এসেছিলেন। করোনা মহামারির সময় অবৈধ চ্যানেলগুলো বন্ধ ছিল বলে বাধ্য হয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ফলে গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স আয় রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল।

২০২০-২১ অর্থবছরে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছর প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার।

ইত্তেফাক/ইউবি