বিষণ্ণময় বিষণ্ণতা
নুরুজ্জামান সাগর
কোনো কোনো দিন থাকে মুগ্ধতায় ছড়ানো!
কোনো কোনো সন্ধ্যায় পরিযায়ী মেঘেরা
দূর দেশ থেকে এসে ভিড় করে মনের গভীরে|
এই বর্ষায় এই আলো আঁধারিতে
কিছু জল জমা থাকুক শ্রাবণে|
মন তো কত কিছুতেই কাঁদে, আরো
কিছু জল না হয় বরফ হয়ে তু
লোর মতো ঘুরে বেড়াক তোমার বাড়ির ছাদে|
বৃষ্টিও লজ্জা পাক, দিন শেষে তারা তো জ্বলে
এই শ্রাবণে তুমিও কি ছাদে যাও সন্ধ্যে হলে?
কোনো কোনো দিন থাকে বিষণ্ণতায় জড়ানো
রাত হলে বাড়তে থাকে বিমর্ষতা
আমি কিছুতেই এড়াতে পারি না,
এ পাশ থেকে ও পাশ করি
বহুদিন আগেকার কোন মেঘ, পাখি কিংবা ফুল
যাদের দেখে বাহ্ বলে উঠেছিলাম তাদের মনে করি
কিন্তু তারপরেও রাত হলে অবসাদ বাড়তে থাকে
দেখি অঢেল অন্ধকারে আকাশের গায়ে ক্রমশ
বিষণ্ণময় বিষণ্ণতা জন্মায়।
অভিসার
ঝুটন দত্ত
স্বচ্ছ কাচের মতো হৃদয়ে
ঢেউ খেলে যায় নদীর জল;
কিনারে দাঁড়িয়ে দেখে আড়চোখ,
অস্ফুট সময়ের লুকোচুরির
আঁকিবুঁকিতে গড়া বেদনার রংমহল|
যান্ত্রিক সভ্যতার লাগাম ধরে আছে দানবেরা,
যন্ত্রণাকে দিলাম ছুটি ছলনার নাগপাশ থেকে|
রাতভর দেহ তীরে বয়ে যায় গোপন অভিসার,
কৃষ্ণ সাগরের অতল জোছনায়
কেবলি তোমার অনুসন্ধানে|
যুদ্ধ
আরিফুল হাসান
বেঁচে আছ, যুদ্ধ
শান্তি চাও, যুদ্ধ
সন্ধি করছ, যুদ্ধ
লড়াই চাই, লড়াই—লড়াই চাই
যুদ্ধ করছি আমরা, দিনরাত
যুদ্ধে ফিরছি আমরা, দিনরাত
যুদ্ধে ক্লান্ত আমরা, দিনরাত
যুদ্ধে বন্দি আমরা, দিনরাত
