মক্তবের শিক্ষকই ধর্ষণের পর হত্যা করেছিল শিশুকে

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২২, ১২:৪৯

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বড় সাতাইল বাতাইল জামে মসজিদের মক্তবের আরবি শিক্ষক মো. মোরসালিন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মক্তবের ১০ বছরের শিশু হাসনা খাতুন হেমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন তিনি। এরপর লাশটিকে সিমেন্টের খালি বস্তায় ঢুকিয়ে সাইকেলে করে গোবিন্দগঞ্জের বর্ধনকুঠি এলাকার একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে দিয়ে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে হত্যার মূল রহস্য।

শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার আট দিন পর হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে হত্যার রহস্য তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং করেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্ত মোরসালিন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বড় সাতাইল বাতাইল জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ও ঐ মসজিদের মক্তবের আরবি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মসজিদসংলগ্ন একটি কক্ষে থাকতেন। ঐদিন শিশুটিকে তার কক্ষে ডেকে এনে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরের দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ঐ শিশুটির মামা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ মোরসালিনসহ চার জনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন মোরসালিন।

ইত্তেফাক/এমআর