ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে জুয়ার আসর থেকে কয়েকজন জুয়াড়ি ধরে ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানা পুলিশের দুই এএসআইকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) হয়েছে।
এরা হলেন-মির্জাপুর থানার উপসহকারী পুলিশ কর্মকর্তা (এএসআই) মনির হোসেন ও (এএসআই) মো. রেজাউল। প্রত্যাহার করে তাদের টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে বলে মির্জাপুর থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (৫ মার্চ) মির্জাপুর থানা পুলিশ সূত্র ও ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন জানান, গত রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভাওড়া ইউনিয়নে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে যান এএসআই মনির ও রেজাউল। সোর্সের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন ভাওড়া চাঁনপুর এলাকায় চিহ্নিত জুয়াড়ি সমেজ ও রাসেল গ্রুপসহ একদল জুয়াড়ি পরিত্যক্ত একটি ঘরে তাস দিয়ে জুয়া খেলছেন। এএসআই মনির ও রেজাউল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েকজন জুয়াড়িকে আটক করেন। আটকের পর ঘুষ নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে একটি গ্রুপ টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নিকট অভিযোগ করেন।
এদিকে অভিযোগের পর পুলিশের একটি টিম তদন্ত করে ঘটনার বিস্তারিত জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে এএসআই মনির ও এএসআই রেজাউলকে গত মঙ্গলবার (১মার্চ) মির্জাপুর থানা থেকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনার দিন ঐ দুই এএসআই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়েছিলেন। এলাকাবাসীর অভিযোগে তারা জুয়াড়িদের আটকের পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন বলে কিছু লোকজন এসপি স্যারকে বিষয়টি জানান। পরে এসপি স্যারের নির্দেশনায় এএসআই মনির ও রেজাউলকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন।
