মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

‘র‌্যাগিং হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগ’

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২২, ১৮:৫২

র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স উল্লেখ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, আমি সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি, ক্যাম্পাস এবং ক্যাম্পাসের বাইরে কোথাও আমার ছেলে-মেয়েকে কেউ র‌্যাগ দিলে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। র‌্যাগিংয়ের কোনো অভিযোগ এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রবিবার (৬ মার্চ) দুপুরে যবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগ আয়োজিত নবীনবরণ, কারিকুলাম বিতরণ এবং বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন। 

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমরা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াবে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে তোমরা নিজেদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলবে। আলোকিত মানুষ হিসেবে তৈরি হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।  

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেউ কখনও বিদায় নেয় না। এখন তোমরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বিত অ্যালামনাই। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম দিকে দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব এখন তোমাদের কাঁধে। যেখানে যাবে, সেখানেই তোমাদের হাতের ছাপ, পায়ের ছাপ এবং মেধার ছাপ রেখে আসবে। মনে রাখবে, তোমাদের কর্মকাণ্ডে যেন আমাদের মাথা নোয়াতে না হয়। 

অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একুশে পদক ২০২২ প্রাপ্ত হওয়ায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনকে এফএমবি বিভাগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এর আগে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল, কারিকুলাম দিয়ে বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

এফএমবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এফএমবি বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, এফএমবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মীর মোশাররফ হোসেন, মো. আব্দুস সামাদ, সহকারী অধ্যাপক পূজা বৈদ্য, আল-মামুন ফরিদ, এফএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী সুশান্ত কুমার রায়, সুস্মিতা গোস্বামী প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এমএএম