বইমেলায় মিজাহারুল ইসলামের তিনটি কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাস

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২২, ১৯:৫৫

এবারের একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীল কবি, লেখক, নাট্যকার  মিজাহারুল ইসলামের তিনটি বই। এর মধ্যে রয়েছে একটি যৌথ কাব্যগ্রন্থ, যেটির সম্পাদনায় রয়েছেন বাংলাদেশে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। কবির বইগুলো দেশের প্রতিশ্রুতিশীল প্রকাশক চৈতন্য প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বইগুলো হলো ‘সোনালি ডানার পাখি’ কাব্যগ্রন্থ, বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকীতে শতকবিতা যৌথ কাব্যগ্রন্থটি লেখক ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় কবিতা প্রকাশন থেকে বেরিয়েছে। এছাড়া অনিন্দ্য প্রকাশনের প্যাভিলিয়নে এসেছে উপন্যাস ‘নক্ষত্র নগর’।

‘সোনালি ডানার পাখি’ কবিতার বইটি পাওয়া যাচ্ছে স্টল নাম্বার ৫৭৬-৫৭৭, ‘শত কবিতার’বইটির স্টল নাম্বার ০৭ এবং ‘নক্ষত্র নগর’ উপন্যাসটি অনিন্দ্য প্রকাশ এর প্যাভিলিয়ান ২৫ এ পাওয়া যাচ্ছে।

নতুন বই প্রসঙ্গে কবি ও লেখক মিজাহারুল ইসলাম বলেন, আমি দেশ ও সমাজের জন্য কবিতা লিখি। একাত্তর সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে এ জাতি মুক্তিযুদ্ধ করেছিল বলে আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি। আমার এ গ্রন্থে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি কবিতা লিখেছি। আমি সমাজের সকল মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্না, আশা হতাশা বঞ্চনা, প্রেম মিলন, বিরহ ও পাওয়া না পাওয়ার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে। পাঠকের ভালো লাগলে স্বার্থক হবে আমার প্রচেষ্টা।

তিনি জানান, এই পর্যন্ত তার তিনটি মৌলিক কাব্যগ্রন্থ বেরিয়েছে, মৃন্ময়ী, অবাক জোছনা ও সোনালি ডানার পাখি। এছাড়া আমি কবি নই শব্দ শ্রমিক, নৈঃশব্দের কাব্য, নীল জোছনা ও শত কবিতা নামের চারটি যৌথ কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। আগামী ৮ তারিখ শনিবার তার প্রথম উপন্যাস “নক্ষত্র নগর” পাওয়া যাবে অনিন্দ্য প্রকাশনের প্যাভিলিয়নে। আগামী ৭ও ৮ তারখি (শুক্রবার-শনিবার), বইমেলায় তিনি উপস্থিত থাকবেন বলে জানান।

মো. মিজাহারুল ইসলাম ১৯৮৬ সালের পহেলা মার্চ নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কাউরাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাজেদা আক্তার ও মরহুম সোনা মিয়ার কনিষ্ঠ সন্তান। নিজ গ্রামের কাউরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো. মিজাহারুল ইসলাম ২০০১ সালে কেন্দুয়া জয়হরী স্প্রাই সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০০৩ সালে কেন্দুয়া সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ২০০৮ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ( সম্মান) ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে মাস্টার্স ইন গর্ভনেন্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ২০১২ সালে ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও বর্তমানে তিনি সাব রেজিস্ট্রার পদে কর্মরত।

 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি