এএফসির প্রথম শ্রেণির নারী ফুটবল একাডেমির তালিকায় বাফুফে

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২২, ১৮:৫৭

এএফসির প্রথম শ্রেণির নারী ফুটবল একাডেমির তালিকায় নাম লেখাতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয়, তার সব কয়টি পূরণ করে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এত দিন এএফসির এই তালিকায় বাংলাদেশের নাম ছিল না। বাফুফে নিজেদের নারী ফুটবল দলের ক্যাম্পটিকে এএফসির তালিকায় তুলে নিয়েছে।

স্বীকৃতি হিসেবে এএফসি বাফুফেকে ওয়ান স্টার এলিট ফুটবল একাডেমির সনদ দিয়েছে। সনদ পাওয়ার ঘোষণা দিতে গিয়ে বাফুফে ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর পলস্মলী বলেন, ‘১১টি শর্ত পূরণ করে এই স্বীকৃতি আদায় করেছে বাফুফে। গত চার-পাঁচ মাস ধরে এটা নিয়ে কাজ হয়েছে। এএফসি নানা শর্ত দিয়েছে। তার সব পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারাও স্বীকৃতি দেবে না। নারী ফুটবলে আন্তর্জাতিক সাফল্য বড় কাজে এসেছে। তিন বছর পর্যন্ত ওয়ান স্টার এলিট শ্রেণিতে থাকবে বাংলাদেশ। শর্তগুলো নিয়মিত মেনে চলতে পারলে সময় আবার বাড়বে।’

তবে এই স্বীকৃতি নারী ফুটবল দলের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করবে কি না, তা পরিষ্কার করেননি উপস্থিত সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ।

ফুটবল দুনিয়ায় মূলত ক্লাবগুলো নারী ফুটবল একাডেমি গঠন করে থাকে। এশিয়ায় বাংলাদেশসহ তিনটি দেশের ফুটবল সংস্থা নিজেরাই একাডেমি গঠন করে এএফসি থেকে স্বীকৃতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। যেখানে ফুটবল ক্লাবগুলো পুরুষ ফুটবল একাডেমি গড়ে না, তারা নারী নিয়ে কাজ করবে এটা ভাবাই যায় না।

ওয়ান স্টার থেকে টু স্টার কিংবা থ্রি স্টারে উন্নীত হওয়া কঠিন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানালেন নারী ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ। তিনি বলেন, ‘টু স্টার স্বীকৃতি চাইতে গেলে আরও সুযোগ-সুবিধা দেখাতে হবে। সেই সব সুবিধা স্থাপন করতে অনেক টাকার প্রয়োজন।’

উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় সাবিনা খাতুন, তহুরা খাতুন ও মারিয়া মান্দা। ওয়ান স্টার এলিট ফুটবল একাডেমির সনদ পাওয়া নিয়ে সাবিনা বললেন, ‘প্লেয়াররা আরও উৎসাহিত হবে।’

ইত্তেফাক/টিএ