করোনায় লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ২০২২ ও ২০২৩ বর্ষের পরীক্ষার্থীরা পুনর্বিন্যাস সিলেবাসে পরীক্ষা দেবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, এছাড়াও শুধু পরীক্ষা নির্ভর, সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা আর নয়, কর্মসংস্থান উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে।
রবিবার (১৩ মার্চ) লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা উত্তর বাংলা কলেজে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতি বদলানোর মাধ্যমে শিক্ষা সংকোচন নয় বরং কর্মসংস্থান উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হচ্ছে। যাতে করে শিক্ষার্থীদের সকল ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। অনেক উন্নত দেশে বছরে একটি পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা কম মানে অবমূল্যায়ন নয়। বরং শিক্ষার্থীদের মানবিক ও অন্য বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। কম পড়া ও পরীক্ষার মধ্যেই দক্ষতা বাড়ে। তাই করোনাকালে সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, এখন ঝরে পড়ার হার অনেক কমে গেছে। আমরা শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছি। সরকার চাইছে শুধু শিক্ষা নয়, শিক্ষার্থীদের মাঝে সব বিষয়ে দক্ষতা বাড়িয়ে দক্ষ ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। বঙ্গবন্ধু যেমন সোনার বাংলায় সোনার মানুষ চেয়েছেন, আমরা সেই সোনার মানুষ তৈরিতে কাজ করছি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যরা কোনো ধরণের সুপারিশ ছাড়াই এমপিওভুক্ত হবেন। আর যারা নীতিমালার শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন তারা কোনোভাবেই এমপিওভুক্ত হবেন না।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মশিউর রহমান, জেলা প্রশাসক আবু জাফর, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ড. মোজাম্মেল হক, কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ সরকার প্রমুখ।
