কেশবপুরে ২২৭টি সার্টিফিকেট মামলা

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০১২, ২১:০৪
কেশবপুরের বিভিন্ন ব্যাংক ও সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করায় ২২৭টি সার্টিফিকেট মামলা হয়েছে কৃষকের নামে। এ মামলায় পুলিশ দু’কৃষককে গ্রেফতার করেছে। ভবদহ ও কপোতাক্ষ অববাহিকার দুর্দশাগ্রস্ত কৃষকদের নামে মামলা হওয়ায় তারা এখন গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছেন। মোট অনাদায়ী ৮৯ লাখ ৯ হাজার ৭ শ’ টাকা আদায়ের লক্ষ্যে মোট ২২৭টি সার্টিফিকেট মামলা হয়েছে। যার মধ্যে সোনালী ব্যাংক কেশবপুর শাখা ৩টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১৮টি, সোনালী ব্যাংক হাসানপুর বাজার শাখা, জনতা ব্যাংক কেশবপুর শাখা ৪৪টি, অগ্রণী ব্যাংক প্রতাপপুর শাখা ১টি, অগ্রণী ব্যাংক কেশবপুর শাখা ১৮টি, সমবায় অফিস ২৫টি, বিআরডিবি ২৮টি, পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প অফিস ৯টি,পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ৩০টি, উপজেলা মত্স্য অফিস ১০টি, উপজেলা নির্বাহী অফিস হাট-বাজার উন্নয়নের টাকা আদায়ে ১১টি ও পল্লী বিদ্যুত্ অফিস ৩টি। উপজেলা নির্বাহী অফিস হাট-বাজার উন্নয়নের টাকা আদায়ে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাবেয়া রহমানের নামে হাট-বাজার উন্নয়নের ৭২ হাজার টাকার কাজ না করায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন যাবত্ কেশবপুরের মানুষ অকাল পানিবদ্ধতার শিকার হয়ে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত। তাছাড়া ভবদহ ও কপোতাক্ষ অববাহিকার জলাবদ্ধতার কারণে কৃষক দীর্ঘদিন ফসল উত্পাদন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সার্টিফিকেট মামলায় মূলগ্রামের ইসলাম খান ও তার ভাই নূরুল ইসলাম খানকে গ্রেফতার করে।