শেরপুরে এলজিইডির সিংহভাগ রাস্তা কাঁচা

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:০৪
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন শেরপুর জেলার সিংহভাগ গ্রামীণ রাস্তা কাঁচা। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পক্ষ হতে গ্রামীণ সড়কগুলোর অবস্থা ভালো বলা হলেও বাস্তবে তার বেহাল অবস্থা। কোন কোন রাস্তা এত খারাপ যে হাঁটাও বিপদ। আবার কোন ইউনিয়নে কোন পাকা রাস্তাই নেই। জেলা সদরসহ ৫টি উপজেলার ৫২টি ইউনিয়নে ২ হাজার ৫৯২ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা রয়েছে। এরমধ্যে মাত্র ৬৩৩ কিলোমিটার পাকা রাস্তা এবং অবশিষ্ট ১ হাজার ৮৯৬ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে যেসব পাকা রাস্তা রয়েছে সেগুলোর অবস্থা ভাল। চলাচলের অযোগ্য কোন রাস্তা নেই। তবে গ্রামীণ রাস্তাগুলোর মধ্যে অনেক রাস্তায় ব্রিজ কালভার্ট না থাকায় সরাসরি চলাচল করা যায় না। এমন গ্যাপের সংখ্যা ৫৭৮টি যার দৈর্ঘ ৮ হাজার ৭৬৪ মিটার। এসব স্থানে ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণের জন্য পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প অবকাঠামো উন্নয়নের আওতায় অনেকগুলো প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া গ্রামীণ রাস্তায় বর্তমানে ১৬টি ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণাধীন রয়েছে। তবে ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের বৃহত্তর ময়মনসিংহ শীর্ষক প্রকল্পের প্রয়োজনীয় তহবিল না পাওয়ায় উন্নয়ন কাজ করা যাচ্ছে না। গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন প্রসঙ্গে চর পক্ষীমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকবর আলী জানান, তার ইউনিয়নের পূর্বদিকে শেরপুর-জামালপুর সড়কসহ উত্তরবঙ্গে যাওয়ার প্রধান সড়ক ছাড়া ইউনিয়নের অভ্যন্তরে ১ কিলোমিটার পাকা রাস্তাও নেই। তবে কয়েকটি ব্রিজ কালভার্ট রয়েছে। যেগুলোর সংযোগ সড়কপথের মাটি সরে গিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বলাইর চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সেলিম জানান, তার ইউনিয়নের গ্রামীণ রাস্তার ৮০ ভাগ কাঁচা রাস্তা। যে ২০ ভাগ পাকা রাস্তা রয়েছে তাও বিটুমিন উঠে গিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।