গলাচিপায় ধান ক্ষেতে উড়ছে লাল নিশান

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪৭
পটুয়াখালীর গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীর চরাঞ্চলে কৃষকদের মধ্যে লাল নিশান আতঙ্ক বিরাজ করছে । স্থানীয় উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিভিন্ন চরের কয়েক হাজার একর জমির আমন ধান ক্ষেতে ওড়ানো হয়েছে লাল নিশান। অপরদিকে এসব লাল নিশান তুলে নিতে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্যে মেতে উঠেছেন স্থানীয় উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও প্রভাবশালীরা । এ বছর ঘরে ধান তুলতে পারবেন কি না এ নিয়ে কৃষকরা নানা সংশয়ে রয়েছে। অন্যদিকে লাল নিশান তুলে দেয়ায় অন্যান্য বছরের মতো একশ্রেণীর লাঠিয়াল জোতদারদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রতিবছর আমন ধান পাকার মৌসুমে গলাচিপা ও নবগঠিত রাঙ্গাবালী উপজেলার চরাঞ্চলে কয়েক হাজার একর জমিতে লাল নিশান ওড়ানো হয়। ভূমি দফতরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা চরের খাস জমি চিহ্নিত করার জন্য লম্বা বাঁশের মাথায় লাল কাপড় বেঁধে দেয়। প্রায় দেড় হাজার একর জমিতে লাল নিশান দেয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত প্রতি একর খাসজমি বাবদ ৩ শত টাকা আদায়ের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এ নিয়ম না মেনে আদায় করা হয় বাড়তি টাকা। রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের চর যমুনা গ্রামের কৃষক আল মামুন অভিযোগ করেন, তহশিলদাররা ৩ শ’ টাকার একসনা ডিসিআর ১হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা দাবি করছে। এ ব্যাপারে নামপ্রকাশ না করার শর্তে ভূমি দপ্তরের এক কর্মকর্তা বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, চরাঞ্চলের জমির মালিকরা এলাকায় বসবাস করেন না। ধান কাটা মৌসুমে এরা এলাকায় আসেন। এ কারণে সরকারি টাকা আদায়ের সুবিধার্থে এসব জমির মালিকদের জমিতে শুধু লাল নিশান ওড়ানো হয়।