সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলুন :প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৯, ২২:১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের ছোবল থেকে দেশকে রক্ষায় সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেছেন, এগুলো সমাজের ক্ষত। সকলের কাছে অনুরোধ থাকবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

গতকাল শনিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১৯ -এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হারানোর পর যে মর্যাদা হারিয়েছিলাম, সেটা ফিরে পেয়েছি। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বিশ্বে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। খেলাধুলায় আরো বেশি উত্কর্ষতা অর্জন হোক, সেটাই আমি চাই। এজন্য যা যা করণীয় আমরা সরকারের পক্ষ থেকে তা করবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখান থেকে আমরা অনেক ভালো খেলোয়াড় পাব যাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতা অর্জন করবো। এক সময় হয়তো আমরা বিশ্বকাপ জয় করবো।’ তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা ও শরীর চর্চার মধ্য দিয়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা পাবে, মেধা বিকাশের সুযোগ পাবে। এজন্য এই উদ্যোগটা নিয়েছি।’

বিজয়ী ও পরাজিতদের অভিনন্দন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খেলায় হারজিত থাকবে। আজ হারলে কাল জিতবে। জাতির পিতা সেভাবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন, সবসময় হার না মানার মানসিকতা ছিল তার। যে কারণে মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিজয় অর্জন করেছিলাম।’ তার পরিবার কতটা ক্রীড়ানুরাগী ছিল সে কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খেলাধুলার সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক। দাদা ফুটবল খেলতেন, বাবাও ফুটবল খেলতেন। শেখ কামাল ও শেখ জামালের স্ত্রী দুজনেই স্পোর্টসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল। খেলাধুলার উন্নয়নে প্রত্যেকটা পদক্ষেপ শেখ কামাল নিয়েছিল।’

ছোটবেলা থেকে সবার খেলাধুলায় অভ্যস্ত হওয়া উচিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শৈশব থেকে আমরা যদি খেলাধুলার চর্চা না করি, তাহলে অভ্যাস গড়ে ওঠে না। এটা মাথায় রেখে আমরা প্রাথমিক থেকে শুরু করেছিলাম এবং এই পর্যন্ত এসেছি। আশা করি আগামীতে তা অব্যাহত থাকবে।’

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাত্

বিশেষ প্রতিনিধি

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। সাক্ষাতকালে সময় প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক ব্রুনাই দারুসসালাম সফরের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি  বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ব্রুনাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে এবং বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারিত হবে। সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তারা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন।