মাঠকর্মীদের নিয়ে দুপুর থেকে মাঠের আউটফিল্ডে কাজ করেছেন কিউরেটর গামিনি ডি সিলভা। খুলনায় প্রথম দুই ওয়ানডে জেতার পর এবার হোম অব ক্রিকেটে বাংলাদেশকে সিরিজ জিততে হবে। নিজেদের মাঠে পছন্দের উইকেট তৈরি করতে হবে। এই সমীকরণ মেলানোয় ব্যস্ত গামিনি তার সহকর্মীদের সাথে। তবে কাল তাকে অনেকটা নির্ভারই মনে হয়েছে। উইকেট কেমন হবে প্রশ্ন করতেই স্বস্তির ভঙ্গিতে বললেন, ‘দারুণ উইকেট হয়েছে। এখানে চাইলেও কেউ আউট হতে পারবে না!’
বিস্মিত হওয়ার মতই কথা। না চাইলে কাউকে আউট করা যাবে না, তাহলে সিমন্স, গেইল, ব্রাভো, স্যামুয়েলসদের কিভাবে আউট করবেন বাংলাদেশের স্পিনাররা? একটু থমকে গামিনি বললেন, ‘এই উইকেটে ব্যাটিং করে মজা পাবে উভয়ই। তবে ভয় আছে রাতে বল করা দলের জন্য। কারণ, যেভাবে কুয়াশা পড়ছে তাতে পরে বল করলে পেসাররা বল গ্রিপ করতে পারবে না’।
দিবা/রাত্রির ম্যাচে পরে বল করার দারুণ অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১০ সালে কিটপ্লাই কাপে ভারতের বিপক্ষে ২৯৬ রান করেও হেরেছিল বাংলাদেশ। কাল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও রাতের কুয়াশা দেখে বিচলিত হওয়ার কথা জানান। ভারতের বিপক্ষে সেই ম্যাচের অভিজ্ঞতার কথা বর্ননা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সেই ম্যাচটি কুয়াশার কারণে হেরে গেছি। আজ এত কুয়াশা দেখে একটু অবাকই লেগেছে। আমরা চেষ্টা করবো সেভাবে ব্যালেন্স দল করার’।
এই উইকেটে আগে ব্যাটিং করলেও বাংলাদেশের জন্য ভয়ের কিছু নেই। কারণ তিন নম্বর উইকেটে খেলা হবে এবং তামিম-বিজয়রা তিনশ’ রানও তুলতে পারবে। কিউরেটর গামিনির কথায় সেই আশার কথা শোনা গেল। তিনি বলেন, ‘তিনশ’ রান খুব সহজেই হবে এখানে। এই মাঠে টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশ সাড়ে পাঁচশ রান করেছে। টেস্টের পর জাতীয় লিগের একটি ম্যাচও এখানে হয়েছে। উইকেট খারাপ হয়নি। আমার এত বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে আজকের ম্যাচের উইকেট বানিয়েছি। আশা করছি বাংলাদেশের পক্ষেই হবে উইকেটের আচরণ’।
