অভিনয়, গান, মডেলিং আর শিক্ষকতা নিয়ে দারুণ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মিথিলা। তার কাজের ক্ষেত্র ও পরিধি প্রতিনিয়ত যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি কী এক জিয়নকাঠির ছোঁয়ায় সাফল্যও পাচ্ছেন তিনি। আনন্দ বিনোদন-এর নিয়মিত আয়োজন পাঁচটি প্রশ্ন বিভাগে এবার মিথিলা বলছেন কিছু ভাবনার কথা
কেমন যাচ্ছে এই সময়টা?
আমি বরাবই ভালো থাকি, আর সময় সবসময়ই আমার জন্য পজেটিভ থাকে কেননা সময়ের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া মানুষের ধর্ম। সময়ই মানুষকে বলে দেয়, পথিক পথ ওদিকে নয়, পথ এদিকে। সুতরাং যে অবস্থায়ই হোক বা যে কারণেই হোক নিজেকে মানিয়ে নেওয়াই
সবচেয়ে বড় ব্যাপার।
স্প্যানিশ ভাষা শিখছেন কেন?
যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন স্প্যানিশ ভাষাটি আমার খুব ভালো লেগেছিল। যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের অনেক বন্ধুই লাতিন আমেরিকার। তাদের ভাষা স্প্যানিশ। ওখানে এক বছর আমি দু’টি স্কুলে শিক্ষকতা করেছি। একটি ছিল হাইস্কুল, অন্যটি মিডল স্কুল। স্প্যানিশ জানা থাকলে আমেরিকায় শিক্ষকতার কাজ পেতে অনেক সুবিধা। তাই এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে স্প্যানিশ ভাষার একটি বছরব্যাপী কোর্স করছি।
আপনার অন্যান্য পড়াশোনার কী খবর?
পড়াশোনার তো কোনো শেষ নেই, তাই না। রাষ্ট্র বিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করেছি এখন ব্র্যাকে শিক্ষার ওপর গবেষণার কাজ করছি, আর নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা তো আছেই। ইংরেজি সাহিত্য পড়াতে এবং নিজে পড়তেও খুব ভালো লাগে।
আপনি তো অনেক বিষয়েই
প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন?
আমার মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল আমি যেন সব পারি। সেজন্য গান শিখেছি হিন্দোল সংগীত একাডেমীতে, নাচ শিখেছি রেনুকা ললিত কলা একাডেমীতে, অভিনয় শিখেছি লোক নাট্যদল চিলড্রেনস থিয়েটারে, ছবি আঁকা শিখেছি স্বপন চৌধুরীর কাছে। এই সবগুলো ক্ষেত্রই আমার খুব পছন্দের। সংস্কৃতির দিক থেকে আমাদের এই দেশ অনেক বেশি সমৃদ্ধ। আমি চেষ্টা করেছি জানতে, শিখতে এবং তা আজীবন অব্যাহত রাখতে চাই।
আপনার নাগরিক আনন্দ-বেদনা কতটুকু?
নাগরিক আনন্দ খুঁজে নিতে হয়, তবে
নাগরিক বেদনা খুঁজে নেওয়া লাগে না;
তা স্বাভাবিক ভাবেই চলে আসে। দেশের নাগরিক হিসেবে অবশ্যই দেশের কাছে
আমার কৃতজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতা আছে।
নানা প্রতিকূলতার মাঝেও আমাদের
দেশ কিন্তু ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে
উন্নতির দিকে।
