ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের পরই বাংলাদেশ ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উঠে এসেছে আট নম্বরে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ন্যূনতম ৪ ম্যাচের ব্যবধানে সিরিজ হারাতে পারলে এই উত্থানটা সাত নম্বর পর্যন্ত হয়ে যেত। কিন্তু ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ জেতায় র্যাংকিংয়ে ক্যারিবীয়দের টপকাতে পারেনি বাংলাদেশ। তারপরও এই সিরিজ শুরুর চেয়ে রেটিং পয়েন্টে বেশ এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে বাংলাদেশের এখন মাত্র ১০ রেটিং পয়েন্টের পার্থক্য। ক্যারিবীয়দের পয়েন্ট ৮৮, বাংলাদেশের ৭৮। এই পার্থক্য সরাসরি ঘোচাতে হলে দুই দলের সিরিজ আরও দীর্ঘায়িত হতে হত। তা হচ্ছে না বলে বাংলাদেশ আফসোস করতে পারে। বাংলাদেশ আর পারে অপেক্ষা করতে।
বাংলাদেশের পরবর্তী ওয়ানডে সিরিজ আগামী বছর মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। তার ভেতরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ড নিজের একটি করে সিরিজ খেলে ফেলবে। ফলে সম্ভাবনা থাকছে দুই দলেরই এগিয়ে যাওয়ার। উল্টো সম্ভাবনাও থাকছে। নিউজিল্যান্ড এই সময়ের মধ্যে পয়েন্ট বাড়াতে না পারলে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ আরও পয়েন্ট খোয়ালে মাঠে না নেমেও র্যাংকিংয়ে এগিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।
এই সিরিজ দুই দলের পয়েন্টে যেমন প্রভাব ফেলেছে, তেমনি খেলোয়াড়দের ওপরও প্রভাব ফেলেছে। বড় উল্লম্ফন ঘটেছে অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহর। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে ২৭ নম্বরে থেকে ১৪ নম্বর অলরাউন্ডার এখন তিনি। সাকিব আল হাসান এই সিরিজে না খেললেও আগের মতো এক নম্বর জায়গা ধরে রেখেছেন। তবে সাকিব ব্যাটিং ও বোলিং র্যাংকিংয়ে পিছিয়েছেন।
ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে সাকিব বোলারদের তালিকায় ৮ নম্বরে ও ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ১২ নম্বরে ছিলেন। এখন যথাক্রমে ১১ ও ১৬ নম্বরে চলে গেছেন তিনি। বোলারদের তালিকায় ৮ থেকে ৯-এ নেমে এসেছেন রাজ্জাকও। তবে ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে বড় লাফ দিয়ে এগিয়েছেন মুশফিক। ১১ ধাপ এগিয়ে এখন আছেন তিনি ৪৪ নম্বরে। আর ক্যারিবীয় দলে বিপরীত দুই ফল হয়েছে স্পিনার সুনীল নারিন ও ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইলের। নারিন দূরন্ত বোলিং করে আট ধাপ লাফ দিয়ে বোলারদের তালিকায় ৩ নম্বরে চলে এসেছেন। গেইল ঠিক আট ধাপ পিছিয়ে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ৩০ নম্বরে চলে গেছেন।
