অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সের খেলোয়াড় চূড়ান্তের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বাফুফে একাডেমির জন্য ভবিষ্যত্ ফুটবলার বাছাইয়ের কাজ। গতকাল সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সন্ধ্যায় ৮০ জন ফুটবলার থেকে চূড়ান্তভাবে ২৭ জনকে বেছে নেয়া হয়। আগের দিন বিকালে একই মাঠে অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবলার চূড়ান্ত করা হয় ৩৭ জন। সব মিলিয়ে একাডেমির জন্য দুই গ্রুপে ৬৪ ফুটবলারকে বেছে নিলেন ফিফা থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা। এই ফুটবলারদের নিয়ে সিলেটে অবস্থিত একাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার কথা ফেব্রুয়ারি থেকে। তার আগে কোচ চূড়ান্ত করবে বাফুফে। কোচের ব্যাপারে জাপান এবং কোরিয়ার সাথে কথা চলছে। কিন্তু রাজধানীর বাইরে একাডেমি হওয়ায় কোচরা সিলেটের প্রতি আগ্রহ দেখাতে চাইছে না সামাজিক সুযোগ সুবিধার সংকটের কারণে। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন অবশ্য এরপরও আশাবাদী হয়ে জানিয়েছেন কোচের ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
অনূর্ধ্ব-১৪ বয়সীদের দীর্ঘ এবং অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবলারদের স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ধীরে ধীরে তাদেরকে জাতীয় দলে সুযোগ দেয়া হবে এবং তারা ক্লাব ফুটবলেও খেলতে পারবেন। আগামীতে তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড় বাছাই করবে বাফুফে। এবার সেপ্টেম্বরে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে সারা দেশ থেকে একাডেমির জন্য ফুটবলার বাছাই করা হয়। বাফুফের কোচরা প্রাথমিক পর্ব থেকে চূড়ান্ত বাছাইয়ের জন্য খেলোয়াড়দের মনোনীত করেছেন। বাফুফে সভাপতি গত দুই দিনের চূড়ান্ত বাছাই পর্যবেক্ষণ শেষে মনে করছেন আরো প্রতিভাবান ফুটবলার ছেকে আনা যেত। কোচদের সিলেকশন আরো সূক্ষ্ম হওয়া উচিত।
ফিফার কর্মকর্তা জঁ মিশেল জানিয়েছেন তারা কয়েকটি বিষয়ের উপর নজর দিয়ে খেলোয়াড় বাছাই করেছেন, এগুলো হচ্ছে স্কীল, বল নিয়ন্ত্রণ, গতি এবং বুদ্ধি।
ফিফার কর্মকর্তারা মনে করেন অনূর্ধ্ব-১৪ কিংবা অনূর্ধ্ব-১৮ নয়। আরো কম বয়স থেকে খেলোয়াড় বাছাই করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে ফাইভ এ, সাইড সেভেন এ সাইড ফুটবল খেলাটা হলে সেখান থেকে খেলোয়াড় বাছাই করা যাবে।
