নেপালের আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে আজ সকালে বাংলাদেশের পুরুষ ও মহিলা জাতীয় হ্যান্ডবল দল নেপাল যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে।
এবার নিয়ে দ্বিতীয়বার অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট। আর আগে ২০১০ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টটি। সেবার বাংলাদেশ তৃতীয় হয়েছিল। চ্যাম্পিয়ন ভারত এবং রানার্সআপ হয় পাকিস্তান। ঢাকার টুর্নামেন্টে মহিলাদের খেলা ছিল না। আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন নেপালে মহিলা দলের অংশগ্রহণের নতুন নিয়ম প্রবর্তন করেছে।
টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশের জন্য কঠিন এক আসর। কারণ ভারত, পাকিস্তানকে উতরে যাওয়ার মতো শক্তি এখনও অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। কারণ এই দেশগুলো বছরব্যাপি পরিকল্পনা করে অনুশীলন করে। ব্যাপক অর্থ ব্যয় করে থাকে। কিন্তু সেদিক থেকে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন সরকারি অর্থ সহযোগিতা পায় না বললেই চলে। নিজেদের উদ্যোগে স্পন্সর সংগ্রহ করে ঘরোয়া খেলাগুলো পরিচালনা করে। তাই বলে নিজেদের হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতেও নারাজ ফেডারেশনের একদল তরুণ কর্মকর্তারা। সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুরের নতৃত্বে হ্যান্ডবলের সেবা করে যাচ্ছেন সাবেক হ্যান্ডবল খেলোয়াড়রা।
নেপালের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ উপলক্ষে গতকাল বিকালে বিওএ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুরুষ দলের কোচ কামরুল ইসলাম কিরণ এবং মহিলা দলের কোচ আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন তারা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে লড়াই করবে। ভালো ফল বয়ে আনার জন্য তাদের চেষ্টার কমতি থাকবে না। মহিলা এবং পুরুষ হ্যান্ডবল দল গত একমাস অনুশীলন করেছে।
খেলোয়াড়দের জন্য ট্রাকস্যুট, কেডস, শার্ট-প্যান্ট, ব্লেজার, জুতা ইত্যাদি দিয়েছে মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (কিউট) থেকে। নেপালে কোর্স করতে যাবেন কোচ শাহিদা খাতুন, রেফারি রেজওয়ান ইসলাম তামিম, কোচ আসাদুল ইসলাম এবং রেফারি জাহিদুল আমিন চৌধুরী।
পুরুষ দলের ম্যানেজার সালাউদ্দিন আহাম্মেদ, কোচ কামরুল ইসলাম কিরণ, সহকারি কোচ দিদার হোসেন।
খেলোয়াড়রা হলেন
নাহারুল ইসলাম (অধিনায়ক), সোহাগ হোসেন আরিফ (সহকারি অধিনায়ক), কানন, আশিকুর রহমান, এবাদ আলী, আহমেদ জাবির, ইমরান, জিয়াউর রহমান, রাফায়েত উল্লাহ, আল হাসান মিরাজ, আরাফাত আলী, জাকির হোসেন, আফ্রিদি, আল আমিন তৌহিদ। মহিলা দল ঃ ম্যানেজার জহিরুল ইসলাম, কোচ আমজাদ হোসেন। খেলোয়াড়রা হলেন ঃ শিল্পী আক্তার (অধিনায়ক), ঝর্না (সহকারি অধিনায়ক), তৃপ্তি, শিউলি, শুশিলা মিনজ, আমেনা আক্তার, ফালগুনি বিশ্বাস, সোনিয়া খাতুন, শিরিনা খাতুন, জলি খাতুন, সুমি বেগম, কোহিনূর আক্তার, ছন্দা রানী সরকার।
