সারা দিনের কর্মব্যস্ততা। ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা। বাসায় ফিরে লিফটে না উঠে সিঁড়ি বেয়ে খানিকটা উপরে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। তাতে লাভ অনেক। একইভাবে অফিসেও খানিকটা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে পারেন। সাধারণ হাঁটা-চলা, ব্যায়ামের চেয়ে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠলে অধিক খাদ্য শক্তি বার্ন হয় যা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। হার্টকে রাখে সবল। পাশাপাশি শরীরে কর্মক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাড়ের ক্ষয় রোগ হ্রাসে সহায়ক হয়। হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে সাধারণ ব্যায়ামের চেয়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলে অন্যান্য ব্যায়ামের থেকে তিনগুণ বেশি ক্যালরি বার্ন হয়। তবে যাদের হার্টের সমস্যা আছে, ব্যাক পেইন অথবা হাটু ও হাড়ের ক্ষয়রোগ আছে তাদের ক্ষেত্রে অধিক উচ্চতায় সিঁড়ি বেয়ে উঠার ব্যাপারে চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত। এছাড়া বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে যাদের অধিক উচ্চতায় উঠার প্রয়োজন পড়ে তারা অন্তত: তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে লিফটের সাহায্য নিতে পারেন। এছাড়া যাদের শরীরের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ গুণ বেশি তাদের সিঁড়ি বেয়ে উঁচু তলায় না উঠা ভালো। তবে যারা সাধারণ নিয়মে সপ্তাহে অন্তত: ৫ দিন ব্যায়াম, সুইমিং, সাইক্লিং করেন তাদের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার অভ্যাস করলেও স্বাভাবিক ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া উচিত। এছাড়া যারা কখনও ব্যায়াম করার সময় পান না তারা অন্তত: দিনে ২/৩ বার সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা-নামা করলেও লাভবান হতে পারেন। সমস্যা না থাকলে বাড়ীর অদূরে রিকশা, গাড়ী ইত্যাদি যানবাহন থেকে নেমে খানিকটা হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন।
