চিত্রনায়ক নাঈমের উদ্যোগে ক্রিকেট উদ্বোধনীতে ফেরদৌস

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:০৫
চিত্রনায়ক নাঈমের জন্ম ঢাকাতে হলেও তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার থানার পাথরাইল ইউনিয়নের নলশোঁধা গ্রামে। এই গ্রামেই ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ‘নলসুধা যুবসংঘ’। যুবসংঘটির সে বছরই রেজিস্ট্রেশন করা হয়। নিবন্ধন করা হয় দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে। এরপর থেকে নানাভাবে এই সংঘের আওতাধীন বিভিন্ন কার্যক্রম হলেও বিগত বেশ কয়েক বছর যাবত গ্রামের মানুষ শহরমুখী হওয়ার কারণে তার ধারাবাহিকতা বেশ পিছিয়ে পড়ে। প্রায় তিন বছর আগে চিত্রনায়ক নাঈম নলশোঁধা যুব সংঘের হাল ধরেন। তারই তত্ত্বাবধানে বিগত তিন বছর যাবত নানান ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন খেলাসহ নানান ধরনের খেলারও আয়োজন করা হয়। গত ১ ডিসেম্বর নাঈমেরই সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় ‘মাদকমুক্ত সমাজ চাই খেলাধুলা নিয়ে বাঁচতে চাই’ শ্লোগান নিয়ে নলশোঁধা গ্রামে শুরু হয়েছে ‘খাজা মুরাদ স্মৃতি টোয়েন্টি টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০১২’। মোট দশটি দল এতে অংশগ্রহণ করছে। আগামী ২৯ ডিসেম্বর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। নাঈম বলেন, ‘এখন ব্যবসার কাজ নিয়েই আমি ব্যস্ত। তবে নিজের গ্রামের কথা একেবারেই ভুলে যাইনি। তাই গ্রামের যুব সমাজের কথা বিবেচনা করে তাদের অবসর সময়টাকে কাজে লাগানোর জন্যই নানান ধরনের উদ্যোগ নিয়ে থাকি। সেই বিবেচনাতেই আসলে এই ক্রিকেট খেলার উদ্যোগ নিয়েছি। সবার আন্তরিক অংশগ্রহণ আমার ভালো লেগেছে।’ উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর উদ্বোধনী ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। ফেরদৌস বলেন, ‘নাঈম ভাইয়ের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রতিটি গ্রামে যদি যুব সমাজের জন্য এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে সমাজে কোনোরকম অসংগতি থাকবে না।’ বর্তমানে এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফার্স্ট রাউন্ডের খেলা চলছে। এরপর ধারাবাহিকভাবে চলবে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমি ফাইনাল এবং ফাইনাল খেলা। বিশেষত উল্লেখ্য, নাঈমের এই উদ্যোগে তাকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে দিয়েছেন যুব সংঘটির প্রেসিডেন্ট আব্দুল গফুর মিয়া, সেক্রেটারি সেলিমসহ আরও অনেকেই। সাধারণ চিত্রনায়ক নাঈমের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটেছিল এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী’ ছবির মাধ্যমে। এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন শাবনাজ। এরপর তারা দু’জন জুটি হয়ে অনেক ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘চোখে চোখে’, ‘দিল’, ‘সোনিয়া’, ‘জিদ’, ‘টাকার অহংকার’, ‘ঘরে ঘরে যুদ্ধ’, ‘সাক্ষাত্’, ‘অনুতপ্ত’, ‘লাভ’, ‘বিষের বাঁশি’ ইত্যাদি।