‘অশুভশক্তি রুখতে প্রেরণা জাগরণের গান’

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৩০
ব্যাপক উত্সাহ উদ্দীপনায় দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাগরণের গান-৪ এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়েছে রমনার বটমূলে। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম সংগঠক কামাল লোহানী। প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। জাগরণের গানের সিডির মোড়ক উন্মোচনের পর শিশুদের মধ্যে চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং পরে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশে গণসঙ্গীতের রয়েছে এক সুদীর্ঘ ইতিহাস। আমাদের জাতীয় জীবনের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অশুভশক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের লড়াইয়ে অন্তহীন প্রেরণা জুগিয়ে চলেছে গণসঙ্গীত। দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গণসঙ্গীত সাধারণ মানুষের দিনবদলের লড়াইয়ে বরাবরই অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করেছে। দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলালিংক এর হেড অব পি আর অ্যান্ড কমিউনিকেশন, শরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক মোস্তফা তৌহিদ খান, শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, অধ্যাপক মেজবাহ কামাল। আর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন— বাংলালিংকের মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর শিহাব আহমাদ, জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও আই.টি.আই এর সভাপতি রামেন্দু মজুমদার এবং শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ড. মুনতাসির মামুন, সংগীত শিল্পী মিতা হক ও খায়রুল আলম শাকিল এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান। অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের কর্মকর্তারা বলেন, গণসঙ্গীতের এই দুর্বার শক্তিকে সম্মান জানানোর লক্ষ্যে বাংলালিংক ও ‘জাগরণ সংস্কৃতিচর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র’ যৌথভাবে ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো বাছাই করা ৭১টি গণসঙ্গীত নিয়ে ‘জাগরণের গান’ অ্যালবাম প্রকাশ করে। বাংলালিংকের মার্কেটিং এর সিনিয়র ডিরেক্টর শিহাব আহমাদ বলেন, বাংলালিংক এরই মধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এদেশের গণমানুষের হূদয়ে স্থান করে নিয়েছে। জাগরণের গান-৪ প্রকাশের মতো আমরা আগামীতেও বাংলাদেশে একই রকমের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সচেষ্ট থাকব, যা আমরা আগে থেকেই ব্যাপক সফলতার সঙ্গে করে আসছি।