হার্টের সুস্থতায় ১০ পরামর্শ

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৭
শরীরের অন্যতম ভাইটাল অরগান হার্ট। আর সকলের মনে রাখা দরকার বুকের মধ্যখানে অবস্থিত হার্ট নামক এই অপরিহার্য অঙ্গ মাত্র একটি। তাই শরীরের এই অতি জরুরি অঙ্গটি ঠিক রাখতে অবশ্যই চেষ্টা করা দরকার। কিভাবে মানসম্মত সুষম খাবার গ্রহণের মাধ্যমে হার্ট ভালো রাখা যায় তার জন্য ১০টি পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ সুজান উইড। তার মতে, হার্ট ভালো রাখতে প্রাথমিক এবং অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে ধূমপান ত্যাগ করা। অনেক ধূমপায়ীর হার্টে কোন দাগ পড়েনি; তার অর্থ এই নয় যে, ধূমপানে তার ক্ষতি হচ্ছে না। হার্ট ভালো রাখতে আপনজনের বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের সহযোগিতা অপরিহার্য। অতি প্রিয়জনের মমতার স্পর্শ অনেক ক্ষেত্রে হূদযন্ত্রের সমস্যা কমিয়ে দেয়। জলজ সবজি থেকে আসতে পারে নানা উপাদান। রক্তচাপ, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ এবং হার্টের পেশী মজবুত করতে এধরনের খাবার সহায়ক। বেশি বেশি করে খেতে হবে বিটাক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফুড। বিশেষজ্ঞগণ গবেষণায় দেখেছেন বিটাক্যারোটিন যুক্ত খাবারে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি শতকরা ৪০ ভাগ হ্রাস পায়। গাজর, কপি, মিষ্টি আলু, গাঢ় সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদিতে প্রচুর বিটাক্যারোটিন পাওয়া যায়। খেতে পারেন রসুন। রসুনের নানা গুণের মধ্যে একটা হচ্ছে এটি অত্যন্ত হার্টবান্ধব। রসুন শুধু হার্টের জন্যই হিতকর তাই নয়, এটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়। খেতে হবে দরকারী ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ তেল। লেমন টি বা লেবু চাও হার্টের জন্য ভালো। প্রতিদিন লেমনটি পানে দীর্ঘজীবী হওয়া যায় এমন মতামতও রয়েছে। লবণ একেবারেই কম খেতে হবে। বার বার আহার করা যাবে না। থাকা যাবে না অভুক্ত। মনে রাখতে হবে, শরীরে ইলেক্ট্রো লাইটসের ভারসাম্য নষ্ট হলে হার্টের মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং হার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চর্বি জাতীয় ও দুগ্ধজাত খাবার কম খেতে হবে। নিতে হবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম। মানসিক চাপকেও জয় করতে হবে। হার্ট সুস্থ সবল রাখতে এসব পরামর্শ অবশ্যই মেনে চলা উচিত।