‘আমার প্রিয়দেশ বাংলাদেশ’ ক্ষুদে শিল্পী ফাহিম ফারাবি মাহিমের পরিবেশিত এই গান দিয়ে শুরু হয় রায়গঞ্জে বিজয় দিবসের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সুরবিতান সংগীত একাডেমীর নানা বয়সী শিল্পীদের শুদ্ধ সংগীত পরিবেশনায় ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাঙ্গণে বিজয় মঞ্চের সামনে বিমুগ্ধ শ্রোতার ঢল নামে। সংগীত একাডেমীর সভাপতি ইত্তেফাকের সারাদেশ ফোরাম যুগ্ম আহ্বায়ক রবীন্দ্র সুর সাধক হাসানুজ্জামান সুলতানের পরিচালনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কালজয়ী দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে ক্ষুদে শিল্পী- রাদিয়া বিনতে জাহান, সানজিদা মাহজাবিন রুম্পা, আব্দুর রহমান নাসিম, পাপ্পু সাহা ও বিনয় ভৌমিক। শিশু আবৃত্তিকার জাকিয়া সুলতানা জুঁই কবিতা আবৃত্তি করে। অনুষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ শিল্পীরা হলেন-সংগীত একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিস্টন কুমার তাম্বুলী, কোষাধ্যক্ষ কালীপদ কর্মকার, সদস্য ওবায়েদুল হক চপল, নূরে আলম সিদ্দিকী মাসুক ও বরাত আলী। যন্ত্রসংগীতে ছিলেন-আলী আকবর, আলমগীর হোসেন ও মো. জিন্নাহ। অনুষ্ঠানে বিমুগ্ধ শ্রোতাদের অনুরোধে ক্ষুদে শিল্পী রাদিয়া ৩টি রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করে। জাতীয় পতাকা প্রতীক অংকিত দৃষ্টিনন্দন পোশাকে সর্বকনিষ্ঠ ক্ষুদে শিল্পী নাসিমের পরিবেশিত গানও দর্শক শ্রোতাদের বিমুগ্ধ করে। বিজয় দিবসে স্মরণকালের সেরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ায় রায়গঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও সারাদেশ ফোরাম উপদেষ্টা দীপক কুমার কর, সিরাজগঞ্জ পল্লীবিদুত্ সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী জুলফিকার, পরিচালক আরিফ হোসেন, উপজেলা রিসোর্স অফিসার হারুনর রশিদ, সমবায় অফিসার আকরাম হোসেন, উপজেলা প্রজেক্ট অফিসার (বিআরডিপি) আমিনুল হক ক্ষুদে শিল্পীদের হাতে বিশেষ পুরস্কার তুলে দেন।
