বাফুফের জাতীয় দল কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগে ভিন্নমত বাদ পড়াদের

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫২
বিদেশের মাটিতে জাতীয় ফুটবল দল এবং যুব ফুটবল দলের ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তাদের জাতীয় দল কমিটি নতুন করে গঠনের উদ্যোগে ক্ষুব্ধ বাদ পড়া সদস্যরা। যদিও বাফুফে কবে নাগাদ পুনর্গঠন করা হবে তা এখনও জানায়নি। বাফুফে সভাপতি কাজী মোঃ সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন, কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল সেটা নির্ধারণ করবেন। তিনি বলেন, ‘নাবিল বলেছিল সে যে প্ল্যান করেছিল ন্যাশনাল টিমস কমিটি নিয়ে সেটা হচ্ছে না। ব্যর্থতা প্লেয়ার অফিসিয়ালদের উপরই পড়ে।’ কিন্তু একথা মানতে রাজি নন অব্যাহতি পাওয়া সদস্য সাবেক তারকা ফুটবলার খুরশিদ আলম বাবুল। তিনি বলেন, ‘কমিটির তো কোনো কাজই ছিল না। এটা ছিল জ্বি হুজুর কমিটি। নাবিল আর রুপু যা বলতো সেটাই হতো। কমিটির একটা দুইটা সভায় থেকে আমি সেটাই দেখেছি। কোনো জবাবদিহিতা ছিল না। সভায় বলা হতো বাফুফে সভাপতি এটা করতে চাইছেন। উনি যেটা চেয়েছেন সেভাবে কাজ হতো।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যদি কাজ করার সুযোগ পেতাম তাহলেই না সফলতা ব্যর্থতার প্রশ্ন আসতো।’ আরেক সদস্য সাবেক স্ট্রাইকার মোঃ মহসিন বলেন, ‘ব্যর্থতার কি কারণ সেটা আমার জানা নেই। আমরা কর্মকাণ্ড করার সুযোগই তো পাইনি। প্রস্তুতি ছাড়াই প্রীতি ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল জাতীয় দল। বাফুফে যদি মনে করে ব্যর্থ তাহলে সেটাই মেনে নিতে হবে।’ অপর এক সদস্য সাবেক ফুটবলার কাজী জসিমউদ্দিন জোসি খুব বেশি কথা বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেছেন, ‘আমরা তো কাজ করার সুযোগই পেলাম না। চার বছরের জন্য কমিটি ছিল। কিন্তু চার মাসও টিকল না। এটা তো টিম ওয়ার্কের ব্যাপার। কিছু করার নেই। উনি (কমিটির চেয়ারম্যান কাজি নাবিল) আমাদেরকে চিঠি দিয়ে সদস্য করেছে আবার উনিই অব্যাহতি দিয়েছেন। বাফুফে যেটা করেছে সেটা মেনে নিতে হবে।’এই কমিটি গঠনের পর জাতীয় দল এবং যুব দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন বাফুফের সদস্য সত্যজিত দাস রুপু। তাকেও বাদ দেয়া হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিলের ঘনিষ্ঠজন রুপু। অব্যাহতির পর গতকাল তিনি বলেছেন ‘আমি জানি না কি কারণে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আমাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তা আমি পালন করেছি।’ তবে খুরশিদ আলম বাবুলের মন্তব্যের ব্যাপারে রুপু কোনো মন্তব্য করেননি।