হকির গঠনতন্ত্রে সংশোধনের প্রস্তাব

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:২৯
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করার সময়ই বলেছিল যথাশীঘ্র নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু হকি ফেডারেশনের এডহক কমিটি গঠনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও নির্বাচনের উদ্যোগ নিতে পারেনি তারা। কবে নির্বাচন হবে তারও কোনো খবর নেই। তবে জানা যায়, ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তার উদ্যোগে গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে। ৩১টি পদের মধ্যে সংশোধন করতে চায় শুধু সাধারণ সম্পাদক এবং যুগ্ম সম্পাদক দুইটি পদে। নিয়ম করতে চায় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করতে হলে চার বছর এবং যুগ্ম সম্পাদক পদে নির্বাচন করতে হলে তিন বছর হকির নির্বাহী কমিটি অথবা সাব কমিটিতে কাজ করতে হবে। এই ধরনের নিয়ম দেশের অন্য কোনো ফেডারেশনের গঠনতন্ত্রে নেই বলে ক্রীড়া পরিষদের আইন বিভাগ থেকে জানা গেছে। কিন্তু হঠাত্ করে হকি পেডারেশন সেটাই করতে চায়। সংশোধনী এনে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছিল ৬ সদস্যের গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটি। কিন্তু সেটা সময়ের অভাবে আলোচনা হয়নি বলে জানা গেছে। কি কারণে সাধারণ সম্পাদক এবং যুগ্ম সম্পাদক দুইটি পদে বিশেষ সংশোধনের প্রয়োজন পড়লো তা নিয়ে গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটির চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সবাই চাইছে নতুন লোক আসলে কাজ হয় না। তাই আমাদের এই প্রস্তাব।’ বর্তমান এডহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, ‘২০০১ সালের পর কাউন্সিল হয়নি। যে কারণে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন হয়নি। এই প্রস্তাবের পক্ষে সবাই।’ সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করতে চান এমন কাউকে ঠেকানোর উদ্দেশ্যে হকির নির্বাচনে গঠনতন্ত্রে সংশোধন করা হচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, ‘আমরা চাই হকিটা বুঝতে পারে এমন কেউ এ পদে আসুক।’ রহমতউল্লাহ বলেন, ‘অতীত অভিজ্ঞতা থেকে সংশোধন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘অনুমোদন হবে নির্বাহী কমিটিতে। সেখান থেকে এজিএম হয়ে ক্রীড়া পরিষদের অনুমোদন লাগবে।’