আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার পেলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক ও ফারুক মঈনউদ্দীন। ‘জলেশ্বরীর দিনপত্রী’র জন্য সৈয়দ শামসুল হক এবং ক্লিনটন বি সিলি রচিত ‘অনন্য জীবনানন্দ’র অনুবাদ করার জন্য ফারুক মঈনউদ্দীন এ পুরস্কার পেয়েছেন।
রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান। আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সারোয়ার। পুরস্কার হিসেবে লেখক দুজন নগদ পাঁচ লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র লাভ করেন।
উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-সাহিত্য, কবিতা, ভ্রমণ-কাহিনী, আত্মজীবনী ও অনুবাদ— সাহিত্যের এই সাতটি শাখায় ২০১১ সালে প্রকাশিত ৩১৪টি বইয়ের মধ্য থেকে সেরা হিসেবে বই দুটি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
সৈয়দ শামসুল হক পুরস্কার পাবার পর বলেন, আমি আনন্দিত। কাজের পুরস্কার কে না চায়। সমাজ যখন লেখার স্বীকৃতি দেয় সে পুরস্কার ভিন্নমাত্রা বয়ে আনে, মনে বিশ্বাস দেয়, দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়।
ফারুক মঈনুদ্দীন বলেন, বাংলা একাডেমীর ফেলোশিপ নিয়ে ক্লিনটন বি সিলি গ্রন্থটি লিখেছিলেন। জীবননান্দকে নিয়ে এক বিদেশির এ গ্রন্থটি অসাধারণ।
হাসানুল হক ইনু বলেন, অর্থ বানানো সহজ। কিন্তু সেই অর্থকে সার্থকভাবে কাজে লাগানো কঠিন। অনেক ব্যাংক আছে কিন্তু শিল্প-সাহিত্যকে পৃষ্ঠপোষকতা সবাই করে না। আইএফআইসি ব্যাংক সেই কাজটি করেছে। এটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
আতিউর রহমান বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। মানুষকে সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ করে তুলতে, সাহিত্য পাঠে আগ্রহী করে তুলতে সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি। এই উদ্যোগ সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উত্সাহিত করবে।
আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেন, কঠোর গোপনীয়তা ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সেরা বই নির্বাচন করা হয়েছে। বিষয়টি যেহেতু স্পর্শকাতর, তাই যে কোন বিভ্রান্তি বা বিতর্ক এড়াতে আমরা শুরু থেকেই খুব সততা ও সতর্কতার সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি।
কুষ্টিয়ায় চারুকলার আন্তর্জাতিক আসর
কুষ্টিয়ার রহিমপুরে স্মরণ মত্স্য বীজ খামারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্রাক ইন্টারন্যাশনাল আর্ট ক্যাম্প। ২৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এ ক্যাম্প চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এশিয়ার ৬টি দেশ থেকে ৩০ জন শিল্পী এই ক্যাম্পে অংশ নিচ্ছেন। ক্যাম্পের কিউরেটরের দায়িত্ব পালন করছেন ভারতের শতদ্রু শোভন ভাদুড়ি ও বাংলাদেশের শাওন আকন্দ।
বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা ও ইরানের শিল্পীরা এই ক্যাম্পে অংশ নিচ্ছেন।
