নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে এই দায়িত্ব পাওয়ার পর কেমন লাগছে?
খারাপ লাগার তো কথা না। তবে এখনও কিন্তু চূড়ান্ত রায় হতে কয়েকটা দিন বাকি। আগামী ১ জানুয়ারি শপথ। এর ভেতর কারও আপত্তি-অনাপত্তির কথা বিবেচনা করে কমিশন।
চলচ্চিত্রের নাজুক অবস্থার উত্তরণের জন্য এখন বড় একটা দায়িত্ব কাঁধে নিলেন। কতটা চাপ অনুভব করছেন?
চাপ আমি সভাপতি নির্বাচনের আগে থেকেই অনুভব করেছি। একজন চলচ্চিত্রকার হিসেবেও অনেক কিছু পীড়া দেয়। সেগুলোই কিছু কাজের অগ্রগতির চেষ্টা করব।
সভাপতি হিসেবে প্রথম কোন উদ্যোগটি নিচ্ছেন?
সামনে আমাদের পরিচালক সমিতির পিকনিক। সেই কাজটি একেবারে সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই। কারণ এটা তো শুধু পিকনিক না আমাদের মিলনমেলা। সেখান
থেকেই আমার কাজের যাত্রা শুরু করব। আশা করি নিজের স্বপ্নের কাছাকাছি কাজগুলো করতে পারব।
কিন্তু একটা সাধারণ সমালোচনা আছে যে সমিতিগুলো পিকনিক ছাড়া অন্য কোনো কাজে থাকে না। আপনার কাছে নিশ্চয় এ ধরনের অভিযোগ টিকবে না?
এটা তো এখন গলাবাজি করলে হবে না। তবে আমি কাজ করেই তা দেখাতে চাই। তবে আমার সমিতি শুধু পিকনিক নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য আসেনি। অনেকগুলো পরিকল্পনা আছে, খুব শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে।
সেই পরিকল্পনা কিছুটা কি আভাস দেওয়া যায়?
যেমন ধরুন, প্রথমেই যেটা শুরু করব তা হলো সমস্ত পরিচালকদের জন্য ডিজিটাল ফর্মেটে ছবি নির্মাণের ওপর একটা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কোর্সের ব্যবস্থা করা। কারণ, এখন আমরা ‘ডিজটাল’ বলে খুব চিত্কার করছি। আদতে কিন্তু অনেকেই এ বিষয়ে অজ্ঞ। এ ছাড়া হল ডিজিটাল করার ব্যাপারে সবার সাথে বসা।
তরুণ নির্মাতারা অনেকেই সিনিয়র নির্মাতাদের সাথে যোগাযোগ নেই। এই যে একটা জেনারেশন গ্যাপ তৈরি হচ্ছে। এ নিয়ে কিছু কি ভাবছেন?
এটা থাকবে না। কারণ আমার প্রধান কাজ হবে বেকার মেধাবী পরিচালকদের কাজ দেওয়া। ভালো ছবি নির্মাণে এগিয়ে আসতেই সমিতির থেকে আমরাই লগ্নির ব্যবস্থা করব। কারণ আমাদের বদ্ধমূল ধারণা হয়ে গেছে যে, সিনিয়ররা ভালো ছবি নির্মাণ করতে পারে না। সেই ধারণার আমূল পরিবর্তন করতে চাই।
এত বড় দায়িত্বের পর কি পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকন আবার কর্মহীন হয়ে যাবে না তো?
না আমি তো গত বছর ছবি করিনি। এবারে আরও কাজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেব। এ বছর ইচ্ছে আছে কমপক্ষে দুটি ছবি নির্মাণের। এর ভেতর ছবির গল্পও তৈরি করের ফেলেছি। একটির নাম ‘তিন কুতুব’ অন্যটি ‘যানজটে প্রেম’।
নির্বাচনের ফলাফলের পর কে প্রথম শুভেচ্ছা জানাল?
উত্তরা ক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম।
আর চলচ্চিত্রের ভেতর?
অনেকেই, প্রথম জানালেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার এরপর চাষী নজরুল ইসলাম, মৌসুমীসহ অনেকে। প্রায় সবাই। কারণ সবাই তো আমাকে ভালোবাসে। আমার মনে হয় সকলেই খুশি হয়েছে।
