পেশাদার ফুটবল লিগের দ্বিতীয় স্তর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশীপ লিগের (বিসিএল) দলবদল শেষ হয়ে গেছে। এমাসের শেষ সপ্তাহে মাঠে গড়াবে লিগ। এবারও লিগে খেলার জন্য আট দল খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে। এখান থেকে চ্যাম্পিয়ন দুই দল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অর্থাত্ পেশাদার ফুটবল লিগে খেলবে। নেমে যাবে এক দল।
চ্যাম্পিয়নশীপ লিগের দলগুলো হচ্ছে পুরান ঢাকার খ্যাতানামা দুই দল রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি, ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব, ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব, ওয়ারী ক্লাব, অগ্রণী ব্যাংক, উত্তর বারিধারা ক্লাব, চট্টগ্রাম আবাহনী এবং ঢাকা ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব, যেটি এক সময় পেশাদার লিগে অংশ নেয়া সিলেটের বিয়ানিবাজার স্পোর্টিং ক্লাব রূপান্তর হয়ে ঢাকা ইউনাইটেড হয়েছে এখন।
শিরোপার জন্য এই দলটিও মাঠে নামবে এবার। তারাও সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে বলে গতকাল জানিয়েছেন দলটির সাথে সম্পৃক্ত সাবেক ফুটবলার রিয়াজউদ্দিন রিয়াজ।
রহমতগঞ্জ এবং ফরাশগঞ্জ এদেশের ফুটবলের বড় মঞ্চে না থাকলে তাদের দর্শকদের কাছে দল দু’টির গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তারা যেমন দলই করুক না কেন এক সময়ের প্রিমিয়ার লিগ কিংবা পেশাদার ফুটবলের তারা দাপট দেখিয়েছে।
রহমতগঞ্জ ফুটবল দলের সাথে জড়িয়ে আছেন সাবেক ফুটবলার মোঃ মালা। তিনি শনিবার খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করাতে গিয়ে জানালেন তারা দলটিকে আবার উপরে উঠাবেন। গতকাল ফরাশগঞ্জ ক্লাবের কোচ নতুন কোচ আল আজগর নাসির জানালেন তারা লড়াইয়ে নামবেন পেশাদার ফুটবল থেকে হারানো স্থান ফিরে পাওয়ার জন্য।
দুই বছর আগে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তার হাতেই মুক্তিযোদ্ধা সংসদ তারকা খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গড়ে হজে গিয়েছিলেন। ঢাকায় ফিরে শুনলেন চাকরি নেই। শফিকুল ইসলাম মানিকের হাতে কোচের দায়িত্ব। নাসির কথা বললেন মুক্তিযোদ্ধার কর্মকর্তাদের সাথে। সহকারি হতে রাজি হলেন না তিনি। উল্টো ক্লাবটির কর্মকর্তাদের চ্যালেঞ্জ দিলেন ফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলে লিগের জন্য আমাকে দায়িত্ব দেবেন।
চ্যাম্পিয়ন না হতে পারলে আমার পরিশ্রমিক ফেরত দেব। আর চ্যাম্পিয়ন হলে আমাকে ২০ বিশ লাখ টাকা দিতে হবে-বললেন খুলনার কোচ নাসির। তিনি বলেন, তারা চ্যালেঞ্জ নেয়নি।’
